১৫০+ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ক্যাপশন ও উপন্যাসের উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা: বাঙালির জীবনের এমন কোনো অনুভূতি নেই যা রবীন্দ্রনাথের কলমে উঠে আসেনি। প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি কিংবা আধ্যাত্মিকতা সবখানেই তাঁর কবিতা ও উপন্যাসের উক্তি আমাদের হৃদস্পন্দনের মতো মিশে আছে।

আজকের এই ব্লগে আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সব কবিতার লাইন এবং কালজয়ী উপন্যাসের সেরা কিছু উক্তি তুলে ধরব, যা আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ক্যাপশন

“যেতে নাহি দিব। হায়, তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়।”

“আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে, দেখতে আমি পাইনি। তুমি বাহির পানে চোখ মেলেছিলে, আমার হৃদয় পানে চাওনি।”

📌আরো পড়ুন👉ভালোবাসার অপেক্ষা নিয়ে স্ট্যাটাস

“দিনের শেষে ঘুমের দেশে ঘোমটা-পরা ওই ছায়া, ভোলায় তপোবনের আঁখি দিয়ে মায়া।”

“মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরকাল কেন পাই না? কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে, তোমারে দেখিতে দেয় না?”

“এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়। এমন দিনে মন খোলা যায়।”

“তোমায় আমায় মিলন হবে বলে আলোয় আকাশ ভরা। তোমায় আমায় মিলন হবে বলে ধরণী দিয়েছ ধরা।”

“মেঘের পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখো একা ঘরের কোণে?”

“কাছে আছে দেখিতে না পাও, তুমি হাত বাড়িয়ে খোঁজো কারে? সে যে মনের মাঝে লুকিয়ে আছে নিভৃত আঁধারে।”

“আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।”

“ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে বন্ধু হে আমার, দয়া করে একবার এসে দাঁড়াও দ্বারে।”

“ভালোবেসে, সখী, নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরতলে।”

“আমার জীবনে তোমার আসন গভীরতম হোক, তোমার প্রেমে আমার জীবন সার্থক হোক।”

“আমি তোমারি প্রেমে হবো চিরঋণী, জানো কি তা তুমি? আমি তোমারি লাগি জাগি সারা নিশি, শুনো কি তা তুমি?”

“হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে, ময়ূরের মতো নাচে রে। আকুল পরান নাচে রে।”

“আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে, বাঁশি তোমায় দিয়ে যাব কার হাতে?”

“কত অজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই। দূরকে করিলে নিকট, বন্ধু, পরকে করিলে ভাই।”

“আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশিনী। তুমি থাকো সিন্ধুপারে ওগো বিদেশিনী।”

“সীমার মাঝে অসীম তুমি বাজাও আপন সুর। আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর।”

“আপনারে করিয়া জয়, বিশ্বেরে করিছ ভয়? আপনারে জয় করো, তবে বিশ্ব হইবে জয়।”

“সংসার-সাগরে দুঃখ-তরঙ্গ উঠবেই, তাই বলে কি তরী বাইবে না?”

“যে নদী হারায় ধারা বালুচরে, সে নদী কি আর কভু সাগরে মেশে?”

“বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা, বিপদে আমি না যেন করি ভয়।”

“দুখের বেশে এসেছ বলে তোমারে ত্যজিব না। যেখানে দুঃখ সেইখানে তোমায় বরণ করিয়া নেব।”

“তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী, আমি অবাক হয়ে শুনি কেবল শুনি।”

“জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো। সকল মাধুরী লুকায়ে যায় গীতসুধায় এসো।”

“আজি ঝরঝর মুখর বাদল দিনে, জানিনে জানিনে কিছুতে কেন যে মন লাগে না।”

“নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল। বসন্তে আজ ধরাতলে কিসের নেশা লাগল?”

“ওগো আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে। আজ আকাশ আমায় ডাক পাঠালো মেঘের মায়াতে।”

“শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি। ছড়িয়ে গেল মেঘের ছায়ার মায়াতে মায়াতে।”

“বিপুল তরঙ্গ রে, সব গগন উথলিয়া যায়। নিমেষে নিমেষে সৃষ্টি লয় পাথারে হারায়।”

“বসন্তে কি শুধু কেবল ফোটা ফুলের মেলা? আমাদের এই ভালোবাসারও তো আছে এক খেলা।”

“মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।”

“আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ। তাহারই মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান।”

“ওরে গৃহবাসী, খোল্ দ্বার খোল্, লাগল যে দোল। স্থলে জলে বনতলে লাগল যে দোল।”

“আমার মস্তক অবনত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার মোর ডুবাও চোখের জলে।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি বাংলা

“অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখা যায় না।”

“যুগান্তর আসে কিন্তু নতুন যুগ সব সময় আসে না।”

📌আরো পড়ুন👉বাবার মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে স্ট্যাটাস, দোয়া ও কষ্টের মেসেজ

“শিক্ষা দেওয়া সহজ, কিন্তু শিক্ষা নেওয়া কঠিন।”

“তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার নিভৃত সাধনা।”

“যে ভালোবাসা পাওয়ার আশা রাখে না, সেই ভালোবাসাই প্রকৃত।”

“আমরা প্রেমের দ্বারা জগৎকে জয় করি, শক্তির দ্বারা নয়।”

“কাছে আছে দেখিতে না পাও, তুমি হাত বাড়িয়ে খোঁজো কারে?”

“মিলন মানেই শেষ নয়, বিরহও প্রেমের একটি সুন্দর অংশ।”

“যে আমায় দেবে না দুঃখ, তার কাছে সুখ চাই না।”

“অন্ধকার যত গভীর হয়, তার পরেই ভোরের আলো ফুটে ওঠে।”

“কুসুম আপনার জন্য ফোটে না, পরের জন্য তার সৌরভ বিলিয়ে দেয়।”

“সহজ কথা বলতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায় না বলা সহজে।”

“মনের মানুষের জন্য যে চোখের জল পড়ে, তা অমূল্য।”

“নিজের ওপর বিশ্বাস রাখাটাই সফলতার প্রথম সিঁড়ি।”

“প্রদীপ নিভে গেলে তার অন্ধকারটাই সত্যি, আলোটা নয়।”

“সময়ের সমুদ্রে আছি, কিন্তু এক মুহূর্ত সময় নেই।”

“বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা, বিপদে আমি না যেন করি ভয়।”

“আপনারে করিয়া জয়, বিশ্বেরে করিছ ভয়? আপনারে জয় করো, তবে বিশ্ব হইবে জয়।”

“মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, সেই বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা উচিত।”

“সংসার-সাগরে দুঃখ-তরঙ্গ উঠবেই, তাই বলে কি তরী বাইবে না?”

“সীমার মাঝে অসীম তুমি বাজাও আপন সুর, আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর।”

“ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।”

“অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।”

“মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।”

“ভালোবেসে, সখী, নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরতলে।”

“প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে, কে কোথা ধরা পড়ে কে জানে।”

“ভালোবাসা যখন অপরিমেয় হয়, তখন তার প্রকাশটাও হয় নীরব।”

“ক্ষতি নেই যদি তোমার সাথে মিলন না হয়, তোমার ছায়া যদি আমার জীবনের ওপর দিয়ে চিরদিন যায়।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের উক্তি

“বাস্তব জগৎটা আমাদের আয়ত্তের বাইরে হলেও কল্পনার জগতটা আমাদের নিজের।”

“নারীর মন জয় করা মানেই বিশ্ব জয় করা নয়, বরং নিজেকে চেনা।”

📌আরো পড়ুন👉সমাজ নিয়ে উক্তি ও ফেসবুক ক্যাপশন

“স্বদেশপ্রেম যখন উগ্রতায় রূপ নেয়, তখন তা ধ্বংস ডেকে আনে।”

“ভালোবাসা কেবল পাওয়ার নাম নয়, অনেক সময় হারানোর নামও ভালোবাসা।”

“অতীতের ছায়া বর্তমানকে গ্রাস করলে জীবন থেমে যায়।”

“মানুষের সবথেকে বড় শত্রু তার নিজের ভেতরের দ্বিধা।”

“জীবনটা ছোটগল্পের মতো, শেষ হয়েও যেন শেষ হয় না।”

“সংসারে শান্তি পেতে হলে কিছু কিছু বিষয় এড়িয়ে চলতে শিখতে হয়।”

“হৃদয়ের কথা মুখে বলা সহজ, কিন্তু লিখে প্রকাশ করা অনেক বেশি কঠিন।”

“অমিতর নেশাটা মদের নয়, অমিতর নেশাটা কথার।”

“ভালোবাসা যখন অপরিমেয় হয়, তখন তার প্রকাশটাও হয় নীরব।”

“যে ভালোবাসা সাধারণের মতো নয়, তাকে সাধারণের ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

“কমল-হীরা যখন একই হার-এ গাঁথা হয়, তখন তাদের মধ্যে কেউ ছোট বা বড় থাকে না।”

“অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখা যায় না।”

“যেটা চোখের সামনে থাকে সেটাকে আমরা দেখতে পাই না, সেটাকে অনুভব করতে হয়।”

“গ্রহণ করার শক্তি যার নেই, দান করার অধিকারও তার নেই।”

“যে প্রেম মানুষকে ছোট করে, সে প্রেম প্রেম নয়।”

“আসল সৌন্দর্য থাকে মনের গহীনে, যা কেবল গভীর অনুভবে ধরা দেয়।”

“অনেক সময় তুচ্ছ জিনিসই জীবনের বড় বাঁক বদল করে দেয়।”

“সংসারে সব চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো ভুল মানুষকে ভালোবাসা।”

“অবুঝ মনের কাছে যুক্তি দিয়ে জয়ী হওয়া কঠিন।”

“মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, যাকে ঘৃণা করা উচিত তাকেই সে ভালোবেসে বসে।”

“সুখ মানুষের সহ্য হয় না, সে নিজের অজান্তেই অশান্তিকে ডেকে আনে।”

“ভালোবাসার মধ্যে যদি শ্রদ্ধা না থাকে, তবে সেই ভালোবাসা বিষাক্ত হয়ে ওঠে।”

“চোখের বালি হওয়া সহজ, কিন্তু চোখের মণি হওয়া কঠিন।”

“সত্য যখন তেতো হয়, তখন মানুষ মিথ্যার আশ্রয় নেয়।”

“ক্ষমা করাই মহত্ত্বের পরিচয়, কিন্তু ভুলে যাওয়া অনেক সময় অসম্ভব।”

“যেখানে মায়া বেশি, সেখানে ব্যথার পরিমাণও ততটাই বেশি।”

“দেশ কেবল মাটির নয়, দেশ মানুষের মনের ভেতর থাকে।”

“ধর্ম যখন মানুষকে আলাদা করে দেয়, তখন সেই ধর্ম তার পবিত্রতা হারায়।”

“সত্যকে জানার জন্য আগে নিজেকে জানতে হয়।”

“মানুষের জন্মগত কোনো পরিচয় বড় নয়, তার কর্মই তার আসল পরিচয়।”

“ভয় যেখানে শেষ হয়, স্বাধীনতা সেখান থেকেই শুরু হয়।”

“আমরা সবাই সত্যের পথে চলতে চাই, কিন্তু স্বার্থের টানে পথ হারাই।”

“বড় হওয়ার চেয়ে মানুষ হওয়া অনেক বেশি কঠিন।”

“অন্ধ বিশ্বাস মানুষকে পশুত্বের দিকে ঠেলে দেয়।”

“প্রেম যখন আদর্শের বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সংঘাত অনিবার্য।””

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের উক্তি

“সীমার মাঝে অসীম তুমি, তাই তো তোমার এত মায়া।”

“ভালোবেসে যদি সুখ নাহি, তবে কেন মিছে এ ভালোবাসা?”

📌আরো পড়ুন👉খালেদা জিয়ার সব বিখ্যাত উক্তি

“আমার আপন আঁধার আমার থাক, আমি তোমার আলোতে তোমারই মিলন চাই।”

“প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ, কিন্তু প্রেমের বেদনা থাকে সারাটি জীবন।”

“তোমারে পাওয়াই সব পাওয়ার চেয়ে বড়।”

“ভালোবাসা যখন গভীর হয়, তখন ভাষা স্তব্ধ হয়ে যায়।”

“প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে, কে কোথায় ধরা পড়ে কে জানে।”

“শুধু চোখের দেখা নয়, মনের দেখাই আসল দেখা।”

“কাছে আছে অথচ চেনা গেল না, দূরে গেল অথচ ভোলা গেল না।”

“বিদায় নিতেই হয়, না নিলে মিলনের সার্থকতা কোথায়?”

“যারে আমরা ভালোবাসি, তার কাছে আমাদের দাবি অন্তহীন।”

“মিলনের মাঝেও যেন একটি বিরহ লুকানো থাকে।”

“অন্ধকার বলেই তো আলোর এত মূল্য, বিরহ বলেই তো মিলনের এত মাধুর্য।”

“আমি তোমায় যত দিয়েছি প্রেম, তার চেয়েও অনেক বেশি রয়ে গেছে না বলা।”

“হৃদয়ের অনেক কথা মুখ ফুটে বলা যায় না, চোখের জলেই তা শেষ হয়ে যায়।”

“স্মৃতি হচ্ছে এক ধরনের মিলন, আর বিস্মৃতি হচ্ছে এক ধরনের মুক্তি।”

“যাকে পাওয়া যায় না, তাকে মনে রাখাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।”

“তুমি না থাকলে আমার পৃথিবীটা যেন একটা শূন্য মরুভূমি।”

“প্রেম কেবল দেওয়ার নাম, পাওয়ার নাম নয়।”

“মানুষের জীবনে প্রেম একবারই আসে, বাকিগুলো কেবল অভিনয়ের পুনরাবৃত্তি।”

“ভালোবাসা কোনো নিয়ম মেনে চলে না, সে নিজের নিয়মে নিজে গড়ে ওঠে।”

“সুন্দরের আরাধনাই হলো প্রেমের সার্থকতা।”

“প্রেমের সার্থকতা মিলনে নয়, প্রেমের সার্থকতা ত্যাগে।”

“যে ভালোবাসা প্রকাশ করতে যত বেশি কষ্ট হয়, সেই ভালোবাসার গভীরতা তত বেশি।”

“হৃদয় যখন তৃষ্ণার্ত হয়, তখন এক বিন্দু প্রেমই সমুদ্রের সমান মনে হয়।”

“সৌন্দর্য শুধু বাইরে নয়, অন্তরের টানেই প্রকৃত প্রেম জন্মায়।”

“প্রেমের ধর্ম হলো নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া, নিজেকে হারিয়ে ফেলা নয়।”

“যেখানে মনের মিল নেই, সেখানে শরীরের মিলন কেবল বোঝাস্বরূপ।”

“মোর মরণকালে এসো তুমি বন্ধু, দেখা দিয়ে যেও শেষবার।”

“তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার নিভৃত সাধনা।”

“তারে আমি চোখে দেখিনি, তার গলায় মালা দিইনি, কিন্তু হৃদয়ের মণিকোঠায় তার আসন পেতেছি।”

“একটু ছোঁয়া, একটু কথা তাতেই যেন জীবন ধন্য হয়ে যায়।”

“ভালোবাসা হলো একটি জলন্ত প্রদীপ, যা অন্ধকার হৃদয়ে আলো জ্বালায়।”

“যাকে ভালোবাসি তাকে ভয় পাই না, কারণ প্রেম সব ভয়কে জয় করে।”

“হৃদয় দিয়ে হৃদয়ের অনুভব করাই হলো শ্রেষ্ঠ প্রেম।”

“সবাই তোমাকে ছেড়ে চলে গেলেও, তোমার স্মৃতিটুকু আমার সাথী হয়ে থাকবে।”

“প্রেম হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুর, যা কেবল অনুভব করা যায়।”

“অপেক্ষা করাই হলো প্রেমের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।”

সৌন্দর্য নিয়ে রবীন্দ্রনাথের উক্তি

“যা সত্য তা-ই সুন্দর, আর যা সুন্দর তা-ই সত্য।”

“সৌন্দর্য মানুষের অন্তরের বস্তু, বাইরে তা কেবল প্রতিফলিত হয়।”

“সত্য যখন আমাদের হৃদয়ে ধরা দেয়, তখন তাকেই আমরা সুন্দর বলি।”

“যেখানে প্রেমের আলো পড়ে, সেখানেই সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।”

“সুন্দরের আরাধনাই হলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।”

“সৌন্দর্যকে কেবল ভোগ করলে চলে না, তাকে হৃদয়ে উপলব্ধি করতে হয়।”

“জগতের সকল সুন্দরের মূলে রয়েছে একটি গভীর শৃঙ্খলা।”

“সৌন্দর্য হলো প্রকৃতির সেই ভাষা যা সরাসরি আত্মার সাথে কথা বলে।”

“নারীর রূপ যখন তার গুণের সাথে মিশে যায়, তখন সে দেবীর আসনে বসে।”

“সৌন্দর্য শুধু চেহারায় নয়, তা ফুটে ওঠে মানুষের আচরণে ও চিন্তায়।”

“মানুষের চোখ যখন সুন্দরের স্পর্শ পায়, তখন তার অহংকার দূর হয়।”

“যৌবনের রূপ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু চরিত্রের সৌন্দর্য চিরন্তন।”

“আমরা যা ভালোবাসি তাকেই সুন্দর দেখি, আর যা সুন্দর তাকেই ভালোবাসি।”

“সৌন্দর্য হলো হৃদয়ের সেই সুবাস যা মানুষকে মুগ্ধ করে।”

“মানুষের মুখচ্ছবি তার অন্তরের দর্পণ, যেখানে সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে।”

“শোভা কেবল বাহিরের সাজসজ্জা নয়, আত্মার নির্মলতাই আসল শোভা।”

“ঘাসফুলটিও সুন্দর, যদি তুমি তার দিকে ভালোবাসার চোখে তাকাও।”

“শরৎকালের মেঘের মতো সৌন্দর্যও ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলায়।”

“চাঁদের আলোতে যে মায়া আছে, তা পৃথিবীর কঠোরতাকে ঢেকে দেয়।”

“ফুল ফোটার মধ্যে কোনো কোলাহল নেই, কিন্তু তার সৌন্দর্য আকাশকে জয় করে।”

“বৃষ্টির শব্দে এক অদ্ভুত ছন্দ আছে, যা মনের সৌন্দর্যকে জাগিয়ে তোলে।”

“সূর্যাস্তের রঙ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শেষটাও সুন্দর হতে পারে।”

“বনানীর ছায়া আর নদীর ধারা এই তো সুন্দরের সহজ রূপ।”

“বিশ্বজগত সুন্দরের আবরণে ঢাকা, কেবল দেখার মতো চোখ চাই।”

“পাহাড়ের গাম্ভীর্য আর সাগরের বিশালতা উভয়ই সুন্দরের দুই রূপ।”

“হৃদয় যখন পবিত্র হয়, তখন সমস্ত পৃথিবী সুন্দর দেখায়।”

“সৌন্দর্য হলো এক অজানার ডাক, যা আমাদের সংসার থেকে মুক্তি দেয়।”

“শিল্পীর তুলিতে যখন সৌন্দর্য ধরা দেয়, তখন তা অমর হয়ে যায়।”

“দুঃখের মধ্যেও এক ধরণের গভীর সৌন্দর্য লুকানো থাকে।”

“গান যখন সুরে বাঁধে, তখন শব্দগুলো সুন্দর হয়ে ওঠে।”

“সৌন্দর্য আমাদের শেখায় কীভাবে ক্ষুদ্রকে ত্যাগ করে বৃহৎকে আপন করতে হয়।”

“সৌন্দর্য হলো বিধাতার সেই হাসি যা তিনি মর্ত্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন।”

“নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার লাইন

“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার, জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।”

“ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে।”

“কাছে আছে অথচ চেনা গেল না, দূরে গেল অথচ ভোলা গেল না অন্তরে বিরহ তাই চিরস্থায়ী হইয়া রহিল।”

“একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি, তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী।”

“হঠাৎ দেখা, অনেক দিন পরে সে শুধালো, ‘কেমন আছো?’ আমি বললেম, ‘ভালোই আছি।’ কিন্তু সেইখানেই থেমে গেল সব কথা।”

“যারে আমরা ভালোবাসি, তার কাছে আমাদের দাবি অন্তহীন, সেটুকু মিটাইতে গিয়েই সারাটি জীবন কাটিয়া যায়।”

“মোর মরণকালে এসো তুমি বন্ধু, দেখা দিয়ে যেও শেষবার যেন নয়ন মেলে তোমার মুখচ্ছবি দেখিয়া এ সংসার ত্যাগ করি।”

“হৃদয় দিয়ে হৃদয়ের অনুভব করাই হলো শ্রেষ্ঠ প্রেম, সেখানে ভাষার চেয়ে মৌনতাই বেশি কথা বলে।”

“তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার নিভৃত সাধনা মম আকাশতলে তোমারে রচিয়াছি কত না রঙের মায়া দিয়া।”

“নমো নমো নমো সুন্দরী মম জননী জন্মভূমি! গঙ্গার তীর, স্নিগ্ধ সমীর, জীবন জুড়ালে তুমি।”

“সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে, সার্থক জনম মাগো তোমায় ভালোবেসে।”

“বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু বাংলার ফল পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান।”

“ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা তোমাতেই যেন লীন হয়ে যায় আমার এ দেহ ও প্রাণ।”

“অবারিত মাঠ, গগনললাট চুমে তব পদধূলি, ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড় ছোটো ছোটো গ্রামগুলি।”

“যে নদী হারালো স্রোত চলিতে না পারে, সহস্র শৈবাল দাম বাঁধে আসি তারে।”

“অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।”

“শত বছরের সেই পুরাতন গ্রাম, যেখানে কাটিয়াছে শৈশব আজ সেই মাটির গন্ধে প্রাণ যেন ব্যাকুল হইয়া উঠে।”

“চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির সেখানে যেন মুক্ত আলোকে জাগরিত হয় মোর দেশ।”

“বাংলার আকাশে মেঘের খেলা আর নদীর বয়ে চলা এ যেন এক চিরন্তন কাব্যের ছবি।”

“শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি, ছড়িয়ে গেল ছাপিয়ে মোহন বনস্থলী দিগন্তরে ঐ কাশের বনে দোলা লাগে আজি।”

“আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি কৌতূহলভরে আজি হতে শতবর্ষ পরে।”

“মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি।”

“আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ, তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান বিস্ময়ে জাগে আমার গান।”

“ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।”

[blockquote_share]“নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল, বসন্তে আজ ধরিত্রীর বুক জুড়াইল।”

“তব অন্তরের অমৃত ভাণ্ডার করো অবারিত, যেন তৃষ্ণার্ত চাতক পায় একবিন্দু শীতল জল।”

“মোর নাম এই ব’লে খ্যাত হোক আমি তোমাদেরই লোক, আর কিছু নয়, এই হোক শেষ পরিচয়।”

“জুতা আবিষ্কারের কাহিনী শোনো বলি মহীপতি কহিলেন কহিয়া গদগদ তনুরোমাবলী, কি উপায় তবে কহ মন্ত্রী?”

“মানুষের জয়গান গাও হে নূতনের কবি, যেখানে অন্ধকার সেখানেই জ্বালাও আলোর শিখা।”

“সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই তো এমন মধুর।”

“অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হয়ে হইল না শেষ।”

“মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা উচিত।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা

সোনার তরী

“গগন গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসি আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান কাটা হল সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরসা।
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।

চিত্ত যেথা ভয়শূন্য

“চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী
বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি।

প্রাণ

“মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
এই সূর্যকরে, এই পুষ্পিত কাননে,
জীবন্ত হৃদয়মাঝে যদি স্থান পাই।

হঠাৎ দেখা

“রেলগাড়ির কামরায় হঠাৎ দেখা,
ভাবি নি কোনোদিন হবে।
আগে ওর বিয়ে হয়েছিল দিল্লিতে,
তখন ওর নাম ছিল ‘নমিতা’।
আজ ওর পরনে ঢাকাই শাড়ি,
কপালে সিঁদুর নেই।

পরিচয়

“মোর নাম এই ব’লে খ্যাত হোক,
আমি তোমাদেরই লোক,
আর কিছু নয়,
এই হোক শেষ পরিচয়।

প্রশ্ন

“ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত পাঠিয়েছ বারে বারে
দয়াহীন এই সংসারে,
তারা বলে গেল ‘ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল ‘ভালোবাসো’
অন্তর হতে বিদ্বেষ বিষ নাশো।

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ

“আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের ‘পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে
প্রভাত পাখির গান!
না জানি কেন রে এত দিন পরে
জাগিয়া উঠিল প্রাণ।

আফ্রিকা

“উদ্ব্রান্ত সেই আদিম যুগে
স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে
নতুন সৃষ্টিকে বারবার করছিলেন বিধ্বস্ত,
তার সেই অধৈর্য ঘন-ঘন মাথা-নাড়ার দিনে
রুদ্র সমুদ্রের বাহু
প্রাচী ধরিত্রীর বুক থেকে
ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে, আফ্রিকা।

সুপ্রভাত

“অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিছে আলো,
সেই তো তোমার আলো!
সকল দ্বন্দ্ব বিরোধ মাঝে জাগ্রত যে ভালো,
সেই তো তোমার ভালো!

বিদায়

“যাবার সময় হলো এবার দাও বিদায়,
পাণ্ডুলিপিখাতাটি শুধু নিয়ে যাই সাথে করে,
যা লিখেছি তার অর্ধেক বুঝেছি
আর অর্ধেক বুঝি নাই।

বাঁশি

“পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল,
জানি না তো কোনখানে মোর দিন গোয়াইল।
অন্ধকারে একলা বসি ভাবি শুধু তাই,
দিনের শেষে কেন মোর কোনো কথা নাই।

সবুজের অভিযান

“ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা,
ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ,
আধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।
রক্ত আলোর মদিরা ধারায়
রঙিন করি তোদের সাহারা।

কৃপণ

“আমি ভিক্ষা করে ফিরতেছিলেম গাঁয়ের পথে পথে,
তুমি তখন চলেছিলে তোমার স্বর্ণরথে।
অপূর্ব এক স্বপ্নসম লাগছিল সেই ক্ষণ,
তুমি কি মোরে দেবে গো কিছু, ওগো রাজন্‌!

সুখ

“নাহি সূর্য, নাহি জ্যোতি, নাহি শশাঙ্ক সুন্দর।
ভাসে ব্যোমছায়ায় যেন চিত্রিত অম্বর।
সুখ নাই, দুখ নাই, নাহি কোনো জন,
নাহি শব্দ, নাহি স্পর্শ, নাহি কোনো মন।

ভারততীর্থ

“হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে,
এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে।
হেথায় দাঁড়ায়ে দু-বাহু বাড়ায়ে নমি নরদেবতারে,
উদার ছন্দে পরমানন্দে বন্দি বন্দন তারে।

যেতে নাহি দিব

“গগনে গরজে মেঘ, বর্ষা এল ফিরে,
তবুও কেন বারে বারে ফিরে চাই তীরে।
মন শুধু কহে এক কথা বারংবার,
যেতে নাহি দিব, যেতে নাহি দিব হায়!

প্রার্থনা

“বিপদ হতে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা,
বিপদে আমি না যেন করি ভয়।
দুঃখতাপ-বিহ্বলিত মনে দিয়ো না সান্ত্বনা,
দুখে যেন করিতে পারি জয়।

লেখকের শেষকথা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল একজন কবি বা ঔপন্যাসিক নন, তিনি বাঙালির আবেগ ও মননের আশ্রয়স্থল। তাঁর প্রতিটি কবিতা আর উপন্যাসের উক্তি আমাদের জীবনের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ এবং একাকিত্বের শ্রেষ্ঠ সঙ্গী।

আশা করি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার লাইন এবং উপন্যাসের উক্তিগুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। এই উক্তিগুলো আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কিংবা প্রিয়জনকে মনের কথা জানাতেও কাজে লাগাতে পারেন।

Leave a Comment