পর্দা নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, কোরআনের আয়াত, হাদিস ও উক্তি

পর্দা নিয়ে স্ট্যাটাস: একজন নারী যখন পর্দা গ্রহণ করেন, তখন তিনি শুধু নিজেকে আড়াল করেন না; তিনি নিজের লজ্জাশীলতা, আত্মসম্মান ও আল্লাহভীতিকে প্রকাশ করেন। ইসলামে পর্দার গুরুত্ব এতটাই গভীর যে, এটি ঈমানের অংশ হিসেবেও বিবেচিত।

কোরআনের আয়াত, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাদিস এবং মনীষীদের বাণী আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় পর্দা নারীকে ছোট করে না, বরং তাকে উচ্চ মর্যাদায় আসীন করে।

এই ব্লগ পোস্টে আমরা পর্দা নিয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন, কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ আয়াত, সহিহ হাদিস এবং উক্তির মাধ্যমে পর্দার প্রকৃত সৌন্দর্য ও তাৎপর্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

পর্দা নিয়ে স্ট্যাটাস

“পর্দা মানে নিজেকে দুনিয়ার কাছে নয়, আল্লাহর কাছে সুন্দর করে গড়ে তোলা।

“পর্দা হলো ঈমানের নীরব ঘোষণা—যা শব্দ ছাড়াই অনেক কিছু বলে দেয়।

📌আরো পড়ুন👉ইসলামে নারীর মর্যাদা নিয়ে উক্তি

“যারা পর্দাকে পশ্চাৎপদতা ভাবে, তারা কখনো বুঝবে না—পর্দা আসলে কতটা সম্মানের।

“পর্দা নারীর চলার পথে বাধা নয়, বরং নিরাপদ চলার এক আল্লাহপ্রদত্ত ব্যবস্থা।

“পর্দার কাপড়ে ঢাকা থাকে না নারী, ঢাকা থাকে তার ইজ্জত ও মর্যাদা।

“যে নারী পর্দা করে, সে সমাজকে নয়—আল্লাহকে ভয় করে।

“পর্দা হলো এমন একটি ইবাদত, যা প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে পালন করা হয়।

“দুনিয়ার প্রশংসা পাওয়ার জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পর্দা করাই হলো প্রকৃত সফলতা।

“পর্দা নারীর শক্তি—কারণ সে জানে, তার মূল্য দেহে নয়, চরিত্রে।

“পর্দা একজন নারীর পরিচয় বদলায় না, বরং তার পরিচয়কে আরও পবিত্র করে।

“আল্লাহ যাকে পর্দার পথে চালান, তাকে তিনি বিশেষ হেফাজতে রাখেন।

“পর্দা হলো ঈমানদার নারীর অলংকার—যা চোখে নয়, হৃদয়ে ঝলমল করে।

“পর্দা কোনো জোর নয়, বরং ঈমানের ডাকে সাড়া দেওয়া।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজেকে দুনিয়ার ফিতনা থেকে দূরে রাখার সাহস রাখে।

“পর্দা মানে নিজেকে সীমাবদ্ধ করা নয়, বরং নিজেকে সঠিক পথে পরিচালিত করা।

“আল্লাহর বিধান মেনে চলার সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশগুলোর একটি হলো পর্দা।

“পর্দা নারীকে আড়াল করে না, বরং তাকে আল্লাহর কাছে উঁচু মর্যাদায় পৌঁছে দেয়।

“যে নারী পর্দা করে, সে বুঝে গেছে—আসল সৌন্দর্য তাকওয়ায়।

“পর্দা ঈমানের এমন একটি শাখা, যা চরিত্রকে দৃঢ় করে।

“দুনিয়ার চোখে সুন্দর হওয়ার চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়াই পর্দার মূল শিক্ষা।

“পর্দা মানে নিজেকে রক্ষা করা—ইহকাল ও পরকালের জন্য।

“একজন পর্দাশীল নারী মানেই একজন সচেতন, দায়িত্বশীল মুমিনা।

“পর্দা সেই নীরব ভাষা, যা বলে দেয়—আমি আল্লাহকে ভালোবাসি।

“পর্দা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং ঈমানের দৃঢ়তার প্রমাণ।

“আল্লাহ যাকে পর্দার নেয়ামত দেন, তাকে তিনি চরিত্রের সৌন্দর্য দান করেন।

“পর্দা হলো লজ্জাশীলতার প্রতীক, আর লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজের মূল্য নিজেই নির্ধারণ করে।

“পর্দা মানে মানুষের দৃষ্টি নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

“পর্দা সেই পথ, যা একজন নারীকে জান্নাতের দিকে এগিয়ে নেয়।

“পর্দাশীল নারী সমাজের বোঝা নয়, বরং সমাজের শক্ত ভিত।

“পর্দা মানে আল্লাহর বিধানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা।

“হে আল্লাহ, আমাদেরকে পর্দার সৌন্দর্য বুঝে তা আমলে নেওয়ার তাওফিক দিন—আমিন।

“পর্দা মানে নিজেকে লুকানো নয়, পর্দা মানে নিজেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা।

“পর্দা সেই ঢাল, যা একজন নারীকে শুধু মানুষের চোখ থেকে নয়, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকেও রক্ষা করে।

“আল্লাহ যাকে পর্দার তাওফিক দেন, তিনি তাকে বিশেষ ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেন।

পর্দা নিয়ে ক্যাপশন

“পর্দা কোনো ফ্যাশন নয়, এটা আমার ঈমানের প্রতিফলন।

“আমি পর্দা করি কারণ আমি জানি আমার সৌন্দর্য সবার দেখার জন্য নয়।

📌আরো পড়ুন👉বিয়ে নিয়ে ইসলামিক ক্যাপশন

“পর্দা আমাকে দুর্বল করেনি, বরং আমাকে আত্মবিশ্বাসী ও শক্ত করেছে।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজেকে লুকায় না; সে নিজেকে সম্মান করতে শেখে।

“পর্দা হলো নীরব ভাষা, যা বলে দেয় আমি আমার সীমা জানি।

“দুনিয়ার প্রশংসা নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমার পর্দার আসল উদ্দেশ্য।

“পর্দা আমার জন্য বোঝা নয়, পর্দা আমার জন্য রহমত।

“আমি পর্দা করি কারণ আমি চাই আমার চরিত্রই আমার পরিচয় হোক।

“পর্দা মানে পিছিয়ে থাকা নয়, বরং সঠিক পথে এগিয়ে চলা।

“যারা পর্দাকে শিকল ভাবে, তারা কখনো এর শান্তি অনুভব করেনি।

“পর্দা আমাকে আলাদা করেছে, কিন্তু একা করেনি; বরং আল্লাহর কাছাকাছি এনেছে।

“আমি পর্দা করি কারণ আমি নিজেকে দুনিয়ার নয়, আখিরাতের জন্য প্রস্তুত করি।

“পর্দা আমার নীরব ইবাদত, যা প্রতিদিন আমাকে আল্লাহর কথা মনে করিয়ে দেয়।

“সৌন্দর্য ঢাকলে কমে না, বরং মর্যাদা বেড়ে যায়—পর্দা সেটাই শেখায়।

“আমি পর্দা করি সমাজের ভয়ে নয়, আমি পর্দা করি আল্লাহর ভালোবাসায়।

“পর্দা আমার আত্মার সাজ, যা চোখে না পড়লেও হৃদয়ে আলো জ্বালায়।

“যে পর্দা করে, সে নিজেকে সীমাবদ্ধ করে না; সে নিজেকে রক্ষা করে।

“পর্দা আমার পথচলার শক্তি, আমার বিশ্বাসের ঢাল।

“দুনিয়ার ট্রেন্ড বদলায়, কিন্তু পর্দার মর্যাদা কখনো বদলায় না।

“আমি পর্দা করি কারণ আমি জানি আমার মূল্য কতটা।

“পর্দা শুধু কাপড় নয়, এটা চরিত্র, লজ্জা ও তাকওয়ার সমন্বয়।

“পর্দা আমাকে কম দেখায়নি, বরং আমাকে ভিন্নভাবে চিনিয়েছে।

“আমি পর্দা করি, কারণ আমার পরিচয় আমার শরীর নয়, আমার ঈমান।

“পর্দা হলো এমন এক সৌন্দর্য, যা চোখে নয়, হৃদয়ে ধরা পড়ে।

“যারা পর্দাকে প্রশ্ন করে, তারা কখনো এর শান্তি বোঝেনি।

“পর্দা আমার নীরব প্রতিবাদ সেই সমাজের বিরুদ্ধে, যে নারীকে শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যে মাপে।

“আমি পর্দা করি কারণ আমি চাই আল্লাহ আমাকে দেখুন সন্তুষ্টির চোখে।

“পর্দা আমাকে আটকে রাখেনি, বরং আমাকে সঠিক পথে ধরে রেখেছে।

“পর্দা আমার অহংকার নয়, আমার কৃতজ্ঞতা—যে আল্লাহ আমাকে এই পথ দেখিয়েছেন।

“পর্দা কোনো বাধা নয়, পর্দা আমার পরিচয়। আমি আমার মর্যাদা ঢেকে রাখি না, বরং আরও উঁচুতে তুলে ধরি পর্দার মাধ্যমে।

“যে পর্দা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়, সে পর্দা কখনো পিছিয়ে দেয় না, বরং আত্মাকে করে আরও শক্ত ও সুন্দর।

“পর্দা আমার স্বাধীনতা, আমার আত্মসম্মান, আমার বিশ্বাসের নীরব কিন্তু দৃঢ় ঘোষণা।

“আমি পর্দা করি লোক দেখানোর জন্য নয়, আমি পর্দা করি আমার রবকে খুশি করার জন্য।

“পর্দা মানে নিজেকে ছোট করা নয়, বরং নিজের মূল্য বুঝে নিজেকে আগলে রাখা।

“দুনিয়ার চোখ থেকে নিজেকে আড়াল করাই পর্দা, কিন্তু আল্লাহর কাছে নিজেকে স্পষ্ট করে তুলে ধরা।

পর্দা নিয়ে উক্তি

“পর্দা শুধু কাপড় নয়, এটি একজন নারীর ঈমান, লজ্জা ও আত্মমর্যাদার নীরব ঘোষণা।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজের সৌন্দর্য নয়—নিজের চরিত্রকে মূল্যবান করে তোলে।

📌আরো পড়ুন👉নারীর সম্মান নিয়ে উক্তি

“পর্দা নারীর দুর্বলতা নয়; বরং এটি তার শক্তি, আত্মসম্মান ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতীক।

“সমাজের চোখ থেকে নিজেকে আড়াল করাই পর্দা নয়, পর্দা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলা।

“পর্দা মানে নিজেকে ছোট করা নয়, বরং নিজেকে বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজের মর্যাদা নিজেই নির্ধারণ করে দেয়।

“পর্দা সৌন্দর্য ঢাকে না, বরং সৌন্দর্যকে সম্মান দেয়।

“ফ্যাশনের ভিড়ে পর্দা করা মানে নিজের ঈমানকে বাঁচিয়ে রাখা।

“পর্দা নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নেয় না; বরং তাকে নিরাপদ ও সম্মানিত করে।

“যে পর্দা করে, সে মানুষের জন্য নয়—আল্লাহর জন্য নিজেকে সাজায়।

“পর্দা হচ্ছে এমন এক নীরব ভাষা, যা বলে দেয়—আমি আমার সীমা জানি।

“পর্দা নারীর জন্য শেকল নয়, বরং দুনিয়ার অশালীনতা থেকে রক্ষাকবচ।

“বাহ্যিক সৌন্দর্য ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পর্দার সৌন্দর্য চিরস্থায়ী।

“পর্দা করা মানে পিছিয়ে পড়া নয়, বরং আত্মিকভাবে এগিয়ে যাওয়া।

“পর্দা নারীর আত্মসম্মানকে মানুষের চোখের ঊর্ধ্বে তুলে ধরে।

“যে নারী পর্দা বেছে নেয়, সে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে দুনিয়ার মতামতের চেয়ে বড় করে দেখে।

“পর্দা নারীর নীরব প্রতিবাদ—অশ্লীলতার বিরুদ্ধে ঈমানের দৃঢ় অবস্থান।

“পর্দা শুধু বাহিরের নয়, পর্দা শুরু হয় হৃদয় ও দৃষ্টির সংযম থেকে।

“যে পর্দা করে, সে নিজেকে আল্লাহর আমানত হিসেবে সংরক্ষণ করে।

“পর্দা নারীর সৌন্দর্য ঢাকে না, বরং তাকে ভুল চোখ থেকে রক্ষা করে।

“পর্দা মানে নিজেকে হারিয়ে ফেলা নয়, বরং নিজের আসল পরিচয় খুঁজে পাওয়া।

“দুনিয়া যখন খোলামেলাকে আধুনিকতা বলে, তখন পর্দা ঈমানের সাহসিকতা শেখায়।

“পর্দা করা নারী প্রমাণ করে—মর্যাদা প্রদর্শনে নয়, সংযমে।

“পর্দা আল্লাহর নির্দেশ, কিন্তু এর শান্তি অনুভব করে সেই নারী, যে তা অন্তর থেকে গ্রহণ করে।

“পর্দা মানে নিজেকে সীমাবদ্ধ করা নয়, বরং পবিত্রতার সীমানায় আবদ্ধ করা।

“যে নারী পর্দা করে, সে নিজেকে পণ্যে নয়—সম্মানে রূপ দেয়।

“পর্দা নারীর জন্য বোঝা নয়, বরং আখিরাতের পথে একটি আলো।

“পর্দা মানে চোখের আড়াল নয়, বরং হৃদয়ের আলোর প্রকাশ।

“পর্দা করা নারী সমাজে কম চোখে পড়ে, কিন্তু আল্লাহর কাছে বেশি মর্যাদা পায়।

“পর্দা নারীর আত্মসম্মানকে নীরবে রক্ষা করে প্রতিদিন।

“পর্দা শুধু পোশাকে নয়, কথায়, আচরণে ও দৃষ্টিতেও থাকা দরকার।

“যে নারী পর্দাকে ভালোবাসে, সে আল্লাহর বিধানকে ভালোবাসে।

“পর্দা নারীর পরিচয় লুকায় না, বরং তার চরিত্রকে উজ্জ্বল করে।

“পর্দা হলো সেই ঢাল, যা নারীকে দুনিয়ার কু-দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।

“পর্দা করা মানে আল্লাহর উপর ভরসা করে নিজের জীবনকে পবিত্র পথে চালিত করা।

পর্দা নিয়ে কোরআনের আয়াত

“মুমিন পুরুষদেরকে তাদের দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং তাদের লজ্জাস্থান রক্ষা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ”— সূরা আন-নূর: ৩০

“মুমিন নারীদেরও তাদের দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং লজ্জাস্থান রক্ষা করতে বলা হয়েছে” — সূরা আন-নূর: ৩১

📌আরো পড়ুন👉 জীবন সঙ্গী নিয়ে কুরআনের আয়াত

“নারীরা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, কেবল যা এমনিতে প্রকাশ পায় তা ছাড়া” — সূরা আন-নূর: ৩১

“নারীরা যেন তাদের মাথার ওড়না বা চাদর দিয়ে বুক ঢেকে রাখে” — সূরা আন-নূর: ৩১

“মাহরাম (যাদের সামনে যাওয়া জায়েজ) ব্যতীত অন্যদের কাছে সৌন্দর্য গোপন রাখা” — সূরা আন-নূর: ৩১

“চলার সময় নারীরা যেন সজোরে পদবিক্ষেপ না করে যাতে গোপন অলঙ্কার প্রকাশ পায়” — সূরা আন-নূর: ৩১

“পরপুরুষের সাথে কথা বলার সময় কণ্ঠস্বরে কোমলতা বর্জন করা, যাতে কুবাসনা সম্পন্ন ব্যক্তি প্রলুব্ধ না হয়” — সূরা আল-আহযাব: ৩২

“ঘরের ভেতরে অবস্থান করা এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের মতো সাজসজ্জা প্রদর্শন না করা” — সূরা আল-আহযাব: ৩৩

“আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা এবং নামাজ ও জাকাত কায়েম করা” — সূরা আল-আহযাব: ৩৩

“রাসূলের স্ত্রীদের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাওয়া” — সূরা আল-আহযাব: ৫৩

“মুমিন নারীদের বাইরে যাওয়ার সময় চাদর বা জিলবাব দিয়ে নিজেদের ঢেকে রাখা” — সূরা আল-আহযাব: ৫৯

“পর্দা করার ফলে নারীদের চেনা সহজ হবে এবং তারা উত্ত্যক্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাবে” — সূরা আল-আহযাব: ৫৯

“আল্লাহ মানুষের পোশাক অবতীর্ণ করেছেন লজ্জাস্থান ঢাকার জন্য” — সূরা আল-আরাফ: ২৬

“তাকওয়ার পোশাক বা আল্লাহভীতির পোশাকই হলো সর্বোত্তম পোশাক” — সূরা আল-আরাফ: ২৬

“শয়তান যেন তোমাদের বিভ্রান্ত না করে যেমন সে আদম-হাওয়ার পোশাক হরণ করেছিল” — সূরা আল-আরাফ: ২৭

“ইবাদতের সময় বা মসজিদে যাওয়ার সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করা” — সূরা আল-আরাফ: ৩১

“সফল মুমিন তারাই যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে” — সূরা আল-মু’মিনুন: ৫

“স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্যের কাছে কামনার দৃষ্টি না দেওয়া” — সূরা আল-মু’মিনুন: ৬

“যারা পরনারীর প্রতি আসক্ত হয় তারা সীমা লঙ্ঘনকারী” — সূরা আল-মু’মিনুন: ৭

“ব্যভিচারের কাছেও যেও না, এটি একটি নিকৃষ্ট পথ” — সূরা আল-ইসরা: ৩২

“অন্যের ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়া এবং সালাম দেওয়া” — সূরা আন-নূর: ২৭

“যদি ঘরে কাউকে না পাওয়া যায়, তবে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ না করা” — সূরা আন-নূর: ২৮

“কোনো ঘর থেকে ফিরে যেতে বললে কোনো সংকোচ ছাড়াই ফিরে যাওয়া” — সূরা আন-নূর: ২৮

“বিশেষ তিনটি সময়ে (ফজর, জোহর ও এশা) শিশুদেরও ঘরে প্রবেশের অনুমতি নেওয়া” — সূরা আন-নূর: ৫৮

“সতী নারীদের প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া জঘন্য অপরাধ” — সূরা আন-নূর: ২৩

“পবিত্র নারীরা পবিত্র পুরুষদের জন্য এবং অপবিত্ররা অপবিত্রদের জন্য” — সূরা আন-নূর: ২৬

“বৃদ্ধা নারীদের জন্য পোশাক শিথিল হলেও শালীন থাকা উত্তম” — সূরা আন-নূর: ৬০

“হজরত ইউসুফ (আ.)-এর পাপ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা” — সূরা ইউসুফ: ২৩

“কারাগারে যাওয়া পাপের কাজে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে উত্তম” — সূরা ইউসুফ: ৩৩

[blockquote_share]“হজরত শোয়াইব (আ.)-এর কন্যার লাজুকভাবে পথচলার প্রশংসা” — সূরা আল-কাসাস: ২৫

“লজ্জাস্থান হেফাজতকারী নারী ও পুরুষদের জন্য মহান প্রতিদান” — সূরা আল-আহযাব: ৩৫

“মুমিন নারীরা জাহেলিয়াতের মতো রূপ প্রদর্শন করবে না” — সূরা আল-মুজাদালাহ: ১২

“মুমিনরা যেন একে অপরের প্রতি খারাপ ধারণা ও কুদৃষ্টি না রাখে” — সূরা আল-হুজুরাত: ১২

“একে অপরের দোষ অন্বেষণ না করা” — সূরা আল-হুজুরাত: ১২

“মুমিন নারী ও পুরুষ একে অপরের সহায়ক যারা শালীনতার নির্দেশ দেয়” — সূরা আত-তাওবাহ: ৭১

“মিথ্যা ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকা” — সূরা আল-হাজ্ব: ৩০

“মুমিনদের চারিত্রিক পবিত্রতা বজায় রাখা” — সূরা আল-মা’আরিজ: ২৯

“যারা লজ্জাস্থান রক্ষা করে তারা জান্নাতের উত্তরাধিকারী” — সূরা আল-মা’আরিজ: ৩০-৩৫

“পোশাকের মাধ্যমে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখা” — সূরা আল-আহযাব: ৫৯

“আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রদের পছন্দ করেন” — সূরা আল-বাকারাহ: ২২২

পর্দা নিয়ে হাদিস

“লজ্জাশীলতা শুধু কল্যাণই বয়ে আনে।”— সহিহ বুখারি

“যখন নারী বাইরে বের হয়, শয়তান তাকে প্রলুব্ধ করে।”— সুনানে তিরমিজি

📌আরো পড়ুন👉উত্তম জীবনসঙ্গী ও নেককার স্ত্রী নিয়ে হাদিস

“আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাশীল ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।”— সুনানে আবু দাউদ

“যে ব্যক্তি দৃষ্টিকে সংযত রাখে, আল্লাহ তাকে ঈমানের স্বাদ দেন।”— মুসনাদ আহমদ

“আল্লাহ তোমাদের বাহ্যিক রূপ নয়, হৃদয় ও আমল দেখেন।”— সহিহ মুসলিম

“নারী ঘরে থাকলে শয়তান দূরে থাকে।”— সুনানে তিরমিজি

“কোনো পুরুষ যেন মাহরাম ছাড়া নারীর সাথে একান্তে না থাকে।”— সহিহ মুসলিম

“যার মধ্যে লজ্জা নেই, তার ঈমান নেই।”— শু‘আবুল ঈমান (বাইহাকি)

“আল্লাহ পর্দাশীল বান্দাকে সম্মানিত করেন।”— আল-মু‘জামুল কাবির

“নারীর নামাজ ঘরে পড়াই উত্তম।”— সুনানে আবু দাউদ

“যখন তোমার লজ্জা থাকবে না, তখন তুমি যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারো।” — সহিহ বুখারি

“কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত হলে সেখানে তৃতীয়জন হিসেবে শয়তান থাকে।” — সুনানে তিরমিজি

“হায়া বা লজ্জা কেবল কল্যাণই বয়ে আনে।” — সহিহ মুসলিম

“আল্লাহ অত্যন্ত লজ্জাশীল ও গোপনীয়তা পছন্দ করেন।” — সুনানে আবু দাউদ

“প্রথম দৃষ্টি ক্ষমাযোগ্য, কিন্তু দ্বিতীয়বার দৃষ্টি দেওয়া জায়েজ নয়।” — সুনানে তিরমিজি

“চোখের ব্যভিচার হলো (কু-দৃষ্টিতে) তাকানো।” — সহিহ বুখারি

“যে নারী সুগন্ধি মেখে পরপুরুষের পাশ দিয়ে যায়, সে একজন ব্যভিচারিণী।” — সুনানে নাসায়ি

“আল্লাহ তায়ালা সাবালিকা নারীর নামাজ ওড়না ছাড়া কবুল করেন না।” — সুনানে আবু দাউদ

“কোনো নারী যেন অন্য নারীর শরীরের দিকে না তাকায় এবং কোনো পুরুষ যেন পুরুষের শরীরের দিকে না তাকায়।” — সহিহ মুসলিম

“পর্দা নারীর সৌন্দর্যকে রক্ষা করে এবং তাকে পবিত্র রাখে।” — বায়হাকি

“দুনিয়া হলো ক্ষণস্থায়ী উপভোগের বস্তু, আর এর মধ্যে সর্বোত্তম হলো সতীসাধ্বী নারী।” — সহিহ মুসলিম

“মুমিনদের মধ্যে পূর্ণ ঈমানদার সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।” — সুনানে তিরমিজি

“পর্দানশীন নারী জান্নাতের সুঘ্রাণ পাবে, যা অনেক দূর থেকেও পাওয়া যায়।” — সহিহ মুসলিম

“পরনারীর দিকে তাকালে চোখের জিনা হয়, কথা বললে জিহ্বার জিনা হয়।” — সহিহ মুসলিম

“শরীরের যেসব অঙ্গ ঢাকা ফরজ, তা উন্মুক্ত রাখা কবিরা গুনাহ।” — মেশকাত

“কোনো পুরুষ যেন কোনো বেগানা নারীর সাথে হাত না মেলায়।” — তাবারানি

“মাথায় লোহার পেরেক বিঁধে যাওয়াও পরনারী স্পর্শ করার চেয়ে ভালো।” — তাবারানি

“লজ্জা ও ঈমান একটি অপরটির পরিপূরক, একটি চলে গেলে অন্যটিও চলে যায়।” — বায়হাকি

“পোশাকের মাধ্যমে যারা বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারণ করে, তাদের ওপর আল্লাহর লানত।” — সহিহ বুখারি

“নারীরা যেন তাদের আওয়াজ বা কণ্ঠস্বরকে পরপুরুষের সামনে সংবরণ করে।” — আদাবুল মুফরাদ

“পাতলা কাপড় পরিধান করা পর্দার অন্তর্ভুক্ত নয়।” — মুয়াত্তা ইমাম মালিক

“পর্দা ইবাদতের একটি অংশ যা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ দেখায়।” — ইবনে মাজাহ

“ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি চাওয়া পর্দারই একটি অংশ।” — সহিহ বুখারি

“মাহরাম আত্মীয় ছাড়া অন্য কোনো পুরুষের সাথে নারীদের একাকী থাকা নিষেধ।” — সহিহ বুখারি

“পবিত্রতা ও লজ্জা জান্নাতের পথ দেখায়।” — সুনানে তিরমিজি

“পর্দার মাধ্যমে সমাজ থেকে অশ্লীলতা দূর হয়।” — শুয়াবুল ঈমান

“নিজের ঘরকে নিজের জন্য অপরিহার্য করে নাও।” — সুনানে তিরমিজি

“পর্দা করা কেবল হুকুম নয়, এটি সম্মানের প্রতীক।” — মুসনাদে আহমাদ

“যারা পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে, তারা আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যায়।” — বায়হাকি

“সতীত্ব রক্ষা করা মুমিনের অন্যতম গুণ।” — সহিহ বুখারি

“পর্দার অভাবে সমাজে ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে।” — সুনানে তিরমিজি

“পর্দানশীন মা-বোনেরা ইসলামের অলঙ্কার।” — কানজুল উম্মাল

“আল্লাহ যাকে লজ্জা দান করেছেন, তাকে প্রকৃত কল্যাণ দান করেছেন।” — সহিহ মুসলিম

লেখকের শেষকথা

শেষে বলা যায়, পর্দা কেবল একটি পোশাকের নাম নয়, বরং এটি আত্মমর্যাদা, পবিত্রতা এবং আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম আনুগত্যের এক অনন্য নিদর্শন। পবিত্র কোরআনের নির্দেশ এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়ার মাধ্যমেই দুনিয়া ও আখিরাতে প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি লাভ সম্ভব।

আশা করি, আজকের ব্লগে শেয়ার করা পর্দার গুরুত্ব বিষয়ক কোরআনের আয়াত, হাদিস এবং সুন্দর ক্যাপশনগুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। পর্দার এই অমূল্য বার্তাটি আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও অনুপ্রাণিত করার অনুরোধ রইল।

Leave a Comment