মুখোশধারী মানুষ নিয়ে উক্তি, হাদিস, বাছাইকৃত স্ট্যাটাস ও ছন্দ ২০২৬

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে উক্তি: এই সমাজে অনেক মানুষ আছেন, যাদের আসল চেহারা চোখে দেখা যায় না। তারা মুখে এক কথা বলেন, কিন্তু কাজে আরেক রূপ দেখান। বাইরে তারা ভালোবাসা, সততা ও মানবতার মুখোশ পরে থাকেন, অথচ ভেতরে লুকিয়ে থাকে হিংসা, স্বার্থপরতা ও প্রতারণা। এমন মানুষদেরই বলা হয় মুখোশধারী মানুষ।

এই ব্লগ পোস্টে আমরা তুলে ধরবো মুখোশধারী মানুষ নিয়ে উক্তি, হাদিস, বাছাইকৃত স্ট্যাটাস ও ছন্দ যেগুলো আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে এবং মানুষ চিনতে সাহায্য করবে। আসুন, মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যগুলোকে চিনে নেওয়ার এই যাত্রায় আমরা একসাথে এগিয়ে যাই।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে উক্তি

“মুখোশ যত সুন্দর হয়, ভেতরের চেহারাটা ততটাই ভয়ংকর হয় অনেক সময়।

“মুখোশধারী মানুষ সত্যকে ভয় পায়, কারণ সত্যই তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু।

📌আরো পড়ুন👉দুমুখো মানুষ নিয়ে উক্তি

“যারা নিজের সুবিধার জন্য রূপ বদলায়, তারা কখনো বিশ্বস্ত হতে পারে না।

“মুখোশধারী মানুষের সাথে বন্ধুত্ব মানেই নিজের বিশ্বাসকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা।

“মুখোশধারী মানুষ নীরবে ক্ষতি করে, আর নির্দোষের মতো দূরে সরে যায়।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষ কখনো আত্মার শান্তি পায় না।

“যারা ভালো মানুষ সাজার অভিনয় করে, তারা ভেতরে ভেতরে মানুষ হওয়া ভুলে যায়।

“মুখোশধারী মানুষ সম্পর্ক ভাঙে খুব নিঃশব্দে, কিন্তু আঘাত রেখে যায় গভীরভাবে।

“মুখোশ পরে চলা মানুষ কখনো নিজেকে চিনতে শেখে না।

“মুখোশধারী মানুষ মানুষের অনুভূতিকে খেলনার মতো ব্যবহার করে।

“মুখোশধারী মানুষ বিশ্বাসের ভাষা জানে, কিন্তু বিশ্বাসের মূল্য বোঝে না।

“মুখোশ পরে থাকা মানুষদের মুখে সত্য মানায় না।

“মুখোশধারী মানুষ সব জানে, কিন্তু কিছুই মানে না।

“যারা নিজের চেহারা ঢাকতে মুখোশ পরে, তারা নিজের চরিত্রের কাছেই পরাজিত।

“মুখোশধারী মানুষ যত বেশি কথা বলে, তত কম সত্য থাকে তাদের ভেতরে।

“মুখোশ খুলে গেলে অনেক ‘ভালো মানুষ’ আসলে অচেনা হয়ে যায়।

“মুখোশধারী মানুষ সম্পর্কের নামে হিসাব করে, অনুভূতির নামে অভিনয় করে।

“যারা সবসময় সাধু সাজে, তারাই সবচেয়ে বেশি মুখোশ পরে থাকে।

“মুখোশধারী মানুষ নিজের স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই চেনে না।

“মুখোশ পরে বাঁচা মানুষ কখনো শান্তিতে ঘুমাতে পারে না।

“যে মানুষ প্রয়োজনে রূপ বদলায়, সে মুখোশ খুললে মানুষ নয়, ভয়ংকর সত্য দেখা যায়।

“মুখোশ পরা মানুষ যত বেশি ধার্মিক সাজে, তাদের ভেতরের অন্ধকার তত গভীর হয়।

“সত্যিকারের মানুষ কখনো মুখোশ পরে না, কারণ সত্যের কোনো সাজের দরকার হয় না।

“মুখোশধারী মানুষ সম্পর্ককে ভালোবাসে না, তারা শুধু সম্পর্ক ব্যবহার করে।

“যারা সব সময় অন্যের দোষ খোঁজে, তারা নিজের মুখোশ লুকাতেই ব্যস্ত থাকে।

“মুখোশধারী মানুষকে চিনতে সময় লাগে, কিন্তু চেনার পর কষ্টটা আজীবন মনে থাকে।

“মুখোশধারী মানুষ সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ তারা শত্রু নয় বন্ধুর বেশে আঘাত করে।

“মুখোশ পরে যারা সততার কথা বলে, তাদের চরিত্রের আয়না একদিন ভেঙেই যায়।

“বাইরে ভদ্রতা, ভেতরে স্বার্থ এই দ্বিমুখী চরিত্রই মুখোশধারী মানুষের পরিচয়।

“মুখোশধারী মানুষ কখনো একা থাকে না, তারা সবসময় ভিড়ের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে ভালোবাসে।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে বিখ্যাত উক্তি

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে বিখ্যাত উক্তি

“ঈশ্বর তোমাকে একটি মুখ দিয়েছেন, অথচ তুমি নিজের জন্য আর একটি তৈরি করে নিয়েছ। — উইলিয়াম শেক্সপিয়র

“তুমি যেমন, ঠিক তেমনই হয়ে নিজেকে প্রকাশ করো অথবা ঠিক যা তুমি দেখাচ্ছ, ভেতরেও তেমন হও। — জালালুদ্দিন রুমি

📌আরো পড়ুন👉দুমুখো মানুষ নিয়ে বিখ্যাত উক্তি

“কপট বন্ধুত্বের চেয়ে প্রকাশ্য শত্রুতা অনেক বেশি সম্মানজনক। — এরিস্টটল

“যখন কেউ তোমাকে প্রথমবার তার আসল রূপ দেখাবে, তখন তাকে বিশ্বাস করো। — মায়া অ্যাঞ্জেলো

“একজন মানুষকে মুখোশ দাও, সে তোমাকে সত্যি কথা বলবে। — অস্কার ওয়াইল্ড

“সত্যের চেয়েও বেশি সাবধান থাকা উচিত সেই মিথ্যের থেকে, যা সত্যের মতো দেখায়। — পার্থ চট্টোপাধ্যায়

“ভণ্ডামি হলো শয়তানের সেই রূপ, যা সে পুণ্যবানের পোশাক পরে দেখায়। — জন মিল্টন

“মানুষের আসল চেহারা চেনা যায় যখন তার স্বার্থে আঘাত লাগে। — হুমায়ূন আহমেদ

“স্বার্থপর মানুষরা কখনো কারোর বন্ধু হতে পারে না, তারা শুধু সময়ের প্রয়োজনে পাশে থাকে। — সংগৃহীত

“শক্রর চেয়েও ভয়ংকর হলো এমন এক বন্ধু, যে ভেতরে বিষ রেখে মুখে মধু নিয়ে ঘোরে। — চাণক্য

“মুখোশধারী মানুষরা আপনার সাথে কেবল তখনই থাকে, যখন আপনার অবস্থান ভালো থাকে। — সংগৃহীত

“আয়না কখনো মিথ্যে বলে না, কিন্তু মানুষের হাসি হাজারো মিথ্যেকে লুকিয়ে রাখে। — সংগৃহীত

“যে তোমার সামনে প্রশংসা করে কিন্তু পেছনে নিন্দা, সে-ই হলো প্রকৃত মুখোশধারী। — হযরত আলী (রাঃ)

“মিথ্যে হাসি দিয়ে ঘৃণা লুকানো হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কিন্তু সাধারণ কাজ। — সংগৃহীত

“বিশ্বাসের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো সেই মানুষটি, যে বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করে। — সংগৃহীত

“ভদ্রবেশী অসভ্যের চেয়ে স্পষ্টবাদী অসভ্য অনেক ভালো। — সংগৃহীত

“জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করা। — সংগৃহীত

“মানুষ চেনা সহজ নয়, তবে বিপদের সময় মুখোশগুলো এমনিতেই খুলে যায়। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

“যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, তারাই সমাজের সবচেয়ে বড় মুখোশধারী। — কাজী নজরুল ইসলাম

“কপট ব্যক্তিরা হলো সেই সব সাপ, যারা সুযোগ পেলেই দংশন করে। — সংগৃহীত

“ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের আড়ালে স্বার্থ লুকিয়ে রাখাই হলো আধুনিক মানুষের শ্রেষ্ঠ শিল্প। — সংগৃহীত

“মুখ দেখে মানুষ বিচার করো না, কারণ সুন্দর চেহারার আড়ালেও কুৎসিত মন থাকতে পারে। — সংগৃহীত

“যারা মিষ্টি কথায় পটু, তাদের থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ। — সংগৃহীত

“মিথ্যে বন্ধুত্ব হলো সেই ছায়ার মতো, যা শুধু আলো থাকলেই পাশে দেখা যায়। — সংগৃহীত

“মুখোশধারী মানুষের স্মৃতিচারণ করার চেয়ে তাদের ভুলে যাওয়াই মানসিক প্রশান্তির বড় উপায়। — সংগৃহীত

“তোমার চারপাশের সবাই তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী নয়, অনেকে শুধু তোমার পতনের দৃশ্য দেখার জন্য দর্শক হয়ে আছে। — সংগৃহীত

“সরলতা কোনো দুর্বলতা নয়, তবে সরল মানুষের সাথে প্রতারণা করাটা জঘন্য অপরাধ। — সংগৃহীত

“মুখোশ খসে পড়া মানেই হলো সত্যের জয়, যদিও তা কখনো কখনো বেদনাদায়ক হয়। — সংগৃহীত

“মানুষের ভেতরে কী আছে তা জানার জন্য শুধু কথার ওপর নির্ভর করো না, তার আচরণ লক্ষ্য করো। — সংগৃহীত

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে হাদিস

“যে ব্যক্তি পৃথিবীতে দুইমুখো নীতি অবলম্বন করবে, কিয়ামতের দিন তার মুখে আগুনের দুটি জিহ্বা থাকবে।” (সুনানে আবু দাউদ)

“যার মধ্যে আমানতদারি নেই, তার মধ্যে ঈমান নেই; আর যার মধ্যে অঙ্গীকার পালন নেই, তার মধ্যে ধর্ম নেই।” (বায়হাকি)

📌আরো পড়ুন👉অহংকার নিয়ে কুরআনের উক্তি

“যে ব্যক্তি আমাদের সাথে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

“চোগলখোর (যে একজনের কথা অন্যজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়) জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (সহিহ বুখারি)

“মুমিন এক গর্তে দুইবার দংশিত হয় না।” (সহিহ বুখারি)

“মুনাফিকের জন্য এশা ও ফজরের সালাতের চেয়ে অধিক ভারী আর কোনো সালাত নেই।” (সহিহ বুখারি)

“মুমিন সরল ও সম্মানিত হয়, আর পাপাচারী হয় ধূর্ত ও নীচ।” (সুনানে আবু দাউদ)

“মুনাফিক তার চোখ দিয়ে কাঁদে কিন্তু অন্তরে ঘৃণা পোষণ করে।” (হাদিসের নির্যাস)

“মিথ্যা কসম পণ্য দ্রুত বিক্রি করায় ঠিকই, কিন্তু তা বরকত নষ্ট করে দেয়।” (সহিহ বুখারি)

“লজ্জাশীলতা ও অল্প কথা বলা ঈমানের অংশ; আর অশ্লীলতা ও বাগাড়ম্বর মুনাফিকের অংশ।” (তিরমিজি)

“মুনাফিকের উদাহরণ ওই ছাগলের মতো যা দুই পালের মাঝে দিশেহারা হয়ে ঘোরে।” (সহিহ মুসলিম)

“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি নিকৃষ্ট যে দ্বিমুখী।” (তিরমিজি)

“মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য হলো তার কাজ তার কথার বিপরীত হবে।” (হাদিসের মর্মার্থ)

“হিংসা পুণ্যকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে যেমন আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে।” (আবু দাউদ)

“মুসলিম সেই যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ।” (সহিহ বুখারি)

“যে ব্যক্তি মানুষের গোপন কথা শোনার চেষ্টা করে যা তারা পছন্দ করে না, কিয়ামতের দিন তার কানে গলিত সিসা ঢেলে দেওয়া হবে।” (সহিহ বুখারি)

“মুমিন যখন কোনো অঙ্গীকার করে তখন তা পূরণ করে।” (হাদিসের নির্যাস)

“তোমরা যখন চাটুকারদের দেখবে, তখন তাদের মুখে মাটি ছুড়ে দাও।” (সহিহ মুসলিম)

“তোমরা কুধারণা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ কুধারণা বড় মিথ্যা।” (সহিহ বুখারি)

“আল্লাহর ওপর ভরসা করে যে ধোঁকাবাজি থেকে দূরে থাকে, সেই প্রকৃত সফল।” (মর্মার্থ)

“মুমিন অল্প কথা বলে ও বেশি কাজ করে, আর মুনাফিক বেশি কথা বলে ও অল্প কাজ করে।” (ইমাম আওযায়ী থেকে বর্ণিত)

“মানুষ তার বন্ধুর আদর্শে গড়ে ওঠে, তাই বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হওয়া উচিত।” (তিরমিজি)

“পাপের পর অনুতপ্ত হওয়া ও ক্ষমা চাওয়াই মুমিনের কাজ, আর মুনাফিক পাপে লিপ্ত থেকে গর্ব করে।” (মর্মার্থ)

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে ক্যাপশন

“কাছের মানুষদের মুখোশটাই সবচেয়ে বেশি ব্যথা দেয়।

“মুখোশ খুলে গেলে মানুষ হারাই, কিন্তু সত্যটা পাই।

📌আরো পড়ুন👉লোভী মানুষ নিয়ে উক্তি ও ক্যাপশন

“যারা বিশ্বাসের কথা বলে, তারাই বিশ্বাসের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়।

“মুখোশধারী মানুষদের ভালোবাসা শেষ হলে কেবল শূন্যতা পড়ে থাকে।

“কিছু মুখোশ খুলে যায় দেরিতে, কিন্তু ততদিনে মনটা ভেঙে যায়।

“কিছু মানুষ শেখায়, সব আপন আসলে আপন হয় না।

“মুখোশ পরে ভালোবাসার গল্প লিখে, শেষে কষ্টের অধ্যায় রেখে যায়।

“যাদের হাসিতে ভরসা ছিল, তাদের নীরবতাই সবচেয়ে বেশি ভেঙে দিয়েছে।

“মুখোশধারী মানুষদের সঙ্গে স্মৃতিগুলোও কাঁদে নিঃশব্দে।

“বিশ্বাস দিয়েছিলাম মন থেকে, তারা নিয়েছিল মুখোশ পরে।

“কিছু মানুষ কথা কম বলে কষ্ট দেয়, আবার কেউ কথা বেশি বলে বিশ্বাস ভাঙে।

“মুখোশধারী মানুষদের চিনতে পারলে, হয়তো এতটা একা লাগত না।

“যারা আপন সেজে পাশে ছিল, তারাই মুখ ফিরিয়ে নিতে সবচেয়ে বেশি সময় নেয়নি।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষরা কখনো বোঝে না নীরব কষ্ট কতটা ভয়ংকর।

“বিশ্বাস ভাঙার পর মানুষ শক্ত হয়, কিন্তু সেই শক্তির ভেতরেও রয়ে যায় ব্যথা।

“মুখোশধারী মানুষদের ভালোবাসা মানেই নিজেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলা।

“যাদের জন্য কাঁদতাম, তারা মুখোশ পরে হাসছিল অন্য কারো সাথে।

“মুখোশধারী মানুষদের স্মৃতি আজও হঠাৎ এসে চোখ ভিজিয়ে দেয়।

“যাদের বিশ্বাস করেছিলাম চোখ বন্ধ করে, তারাই চোখ খুলে দিয়েছে কষ্ট দিয়ে।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষগুলোই সবচেয়ে নিখুঁতভাবে ভাঙতে জানে।

“ভালোবাসার নামে যারা অভিনয় করে, তারা কষ্টের ভাষা বোঝে না।

“মুখোশধারী মানুষদের সাথে কাটানো সময়গুলো এখন শুধুই দীর্ঘশ্বাস।

“কিছু মানুষ ভালো থাকার অভিনয় করে, আর অন্যকে কাঁদিয়ে সুখ খোঁজে।

“মুখোশধারী মানুষদের জন্যই আজ কাউকে সহজে আপন বলতে ভয় পাই।

“যাদের হাতে বিশ্বাস তুলে দিয়েছিলাম, তারাই মুখোশ পরে ধীরে ধীরে আমাকে ভেঙে দিয়েছে।

“মুখোশধারী মানুষদের চিনতে শিখেছি কষ্ট পেয়ে, আর বিশ্বাস করতে ভুলে গেছি বারবার ঠকে।

“সব হাসি যে সুখের হয় না, সেটা শিখেছি মুখোশধারী মানুষদের কাছ থেকেই।

“যারা খুব আপন সেজে কাছে এসেছিল, তারাই সবচেয়ে নীরবে দূরে ঠেলে দিয়েছে।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষগুলো বুঝতে পারে না, তারা কতটা গভীর ক্ষত রেখে যায়।

“কিছু মানুষ কথা দেয় আলো দেখানোর, কিন্তু শেষে অন্ধকারেই ফেলে যায়।

“মুখোশধারী মানুষদের ভালোবাসা সুন্দর অভিনয়, কিন্তু শেষটা সবসময় কষ্টের।

“বিশ্বাস ভাঙার শব্দ হয় না, কিন্তু তার ব্যথা আজীবন রয়ে যায়।

“মুখোশ খুলে গেলে মানুষ চেনা যায়, কিন্তু তখন বিশ্বাসটা আর ফেরে না।

“যাদের জন্য নিজের ভেতরটা উজাড় করে দিয়েছিলাম, তারাই মুখোশ পরে অন্য মানুষ হয়ে গেল।

“মুখোশধারী মানুষদের কাছে অনুভূতি মানে শুধু প্রয়োজন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে স্ট্যাটাস

“মুখোশের আড়াল বুঝে গেলে আর কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হয় না।

“যারা মুখোশ পরে চলেছে, তারা আমাদের থামাতে পারেনি আমরা বরং আরও এগিয়ে গেছি।

“মুখোশধারী মানুষ আমাদের শেখায় কাকে বিশ্বাস করা উচিত, আর কাকে নয়।

“সত্যিকারের শক্ত মানুষ সে-ই, যে মুখোশের ভিড়েও নিজের সত্যটা ধরে রাখে।

“মুখোশধারী মানুষ থেকে দূরে থাকা আত্মসম্মানের অংশ।

“কষ্ট যত গভীর হয়, উপলব্ধি তত পরিষ্কার হয়।

“মুখোশ ভাঙার অভিজ্ঞতা মানুষকে পরিণত করে।

“সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজেকে হারানোর দরকার নেই।

“মুখোশধারী মানুষদের কারণে সত্যিকারের মানুষদের মূল্য বুঝতে শিখি।

“যারা প্রতারণা করে, তারা হারায় বিশ্বাস; আমরা পাই শিক্ষা।

“মুখোশধারী মানুষ আমাদের সময় নষ্ট করেছে, ভবিষ্যৎ নয়।

“নিজের সীমা জানা মানেই নিজের শক্তি জানা।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষরা আমাদের থামাতে পারে না, যদি আমরা সচেতন থাকি।

“একবার ধোঁকা খাওয়া ব্যর্থতা নয়, বারবার ধোঁকা খাওয়া অবহেলা।

“মুখোশধারী মানুষ থেকে দূরে সরে যাওয়াই শান্তির প্রথম ধাপ।

“মুখোশধারী মানুষদের চেনার পর জীবন আরও সহজ হয়।

“কষ্ট আমাদের নরম করে না, বুদ্ধিমান করে।

“মুখোশের অভিজ্ঞতা মানুষকে নিজের ওপর ভরসা করতে শেখায়।

“সবাইকে বিশ্বাস করো না, কিন্তু কাউকে ঘৃণাও কোরো না।

“যারা মুখোশ পরে, তারা নিজেরাই নিজের কাছে হার মানে।

“সচেতন মানুষ কাউকে দোষ দেয় না, শিক্ষা নেয়।

“মুখোশধারী মানুষ যতই থাকুক, সত্য কখনো একা পড়ে না।

“নিজের চরিত্র পরিষ্কার রাখাই সবচেয়ে বড় জবাব।

“শক্ত হও মানে কঠিন হও নয়, সচেতন হও।

“মুখোশধারী মানুষ জীবনে আসে আমাদের চোখ খুলে দিতে।

“আজ তুমি সচেতন, এটাই তোমার জয়।

“মুখোশধারী মানুষদের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসাই উন্নতি।

“অভিজ্ঞতাই মানুষকে শক্ত, শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

“সবাই যেমন দেখা যায় তেমন হয় না, এই সত্যটা শিখে নেওয়াই জীবনের বড় শিক্ষা।

“মুখোশধারী মানুষ চিনতে পারা মানেই নিজেকে রক্ষা করার শক্তি অর্জন করা।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে কষ্টের মেসেজ

“বিশ্বাস দিয়েছিলাম মন থেকে, তারা নিয়েছিল মুখোশ পরে।

“মুখোশধারী মানুষদের জন্য আজ কাউকে সহজে আপন বলতে পারি না।

“যারা বলেছিল কখনো ছেড়ে যাবে না, তারাই মুখোশ পরে প্রথম চলে গেল।

“নীরব কষ্টগুলো মুখোশধারী মানুষদের উপহার।

“মুখোশ খুলে গেলে সত্যটা দেখা যায়, কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকে না।

“মানুষ চিনতে গিয়ে নিজের ভেতরটাই হারিয়ে ফেলেছি।

“মুখোশধারী মানুষদের ভালোবাসা মনে হয় সুন্দর স্বপ্ন, জাগলেই ভেঙে যায়।

“বিশ্বাস ভাঙার শব্দ হয় না, কিন্তু তার প্রতিধ্বনি আজও বুকের ভেতর বাজে।

“মুখোশের আড়ালে যারা হাসে, তারা কাঁদাতে জানে নিখুঁতভাবে।

“মুখোশধারী মানুষদের স্মৃতি আজও চোখ ভিজিয়ে দেয়।

“যাদের জন্য কাঁদতাম, তারা মুখোশ পরে হাসছিল অন্য কারো জন্য।

“বিশ্বাসের জায়গাটা আজ খুব ফাঁকা, মুখোশধারী মানুষদের কারণে।

“মুখোশ খুলে গেলে মানুষ বদলায় না, শুধু সত্যটা ধরা পড়ে।

“যাদের পাশে ভরসা খুঁজেছিলাম, তারাই মুখোশ পরে ভরসাটাই ভেঙে দিল।

“মুখোশধারী মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া কষ্টগুলো ভাষাহীন।

“হাসতে হাসতে যারা কাঁদায়, তারাই সবচেয়ে ভয়ংকর।

“মুখোশধারী মানুষদের ভালোবাসা আজ আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষা।

“বিশ্বাস হারানোর পর মানুষ নিঃশব্দ হয়ে যায়।

“মুখোশ খুলে গেলে কষ্ট কমে না, শুধু সত্যটা পরিষ্কার হয়।

“আপন সেজে যারা আঘাত করে, তাদের কষ্টটাই সবচেয়ে গভীর।

“মুখোশধারী মানুষদের কারণে আজ একা থাকতেই নিরাপদ লাগে।

“মুখোশধারী মানুষদের সাথে স্মৃতিগুলোও আজ ভারী লাগে।

“হাসির আড়ালে লুকানো মিথ্যাগুলো বুঝতে বুঝতে, নিজের হাসিটাই হারিয়ে ফেলেছি।

“যারা পাশে থাকার কথা ছিল, তারাই মুখোশ পরে সবচেয়ে দূরে সরে গেছে।

“মুখোশ খুলে গেলে মানুষ হারাই, কিন্তু ততদিনে মনটা ভেঙে চুরমার।

“বিশ্বাস ভাঙার পর কষ্টটা চোখে আসে না, কিন্তু বুকের ভেতর সারাক্ষণ রক্তক্ষরণ হয়।

“যাদের জন্য নিজের ভেতরটা উজাড় করেছিলাম, তারা মুখোশ পরে অন্য মানুষ হয়ে গেল।

“সব হাসি যে সত্যি হয় না, সেটা শিখেছি মুখোশধারী মানুষদের কাছ থেকে।

“মুখোশের আড়ালে থাকা মানুষগুলো বোঝে না, তারা কতটা নিঃশব্দে ভেঙে দেয়।

“কিছু মানুষ এত সুন্দর অভিনয় করে যে কষ্ট পাওয়ার আগ পর্যন্ত কিছুই বোঝা যায় না।

“আপন মানুষদের মুখোশটাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে ছন্দ

“মুখে হাসি, অন্তরে ছল,
মুখোশধারীর এটাই বল।

“বাইরে ভালো, ভেতরে ভয়,
মুখোশে ঢাকা সত্যের ক্ষয়।

“কথায় মধু, মনে বিষ,
মুখোশধারীর এই তো নিশ।

“চোখে আলো, মনে আঁধার,
মুখোশধারীর জীবন সার।

“আপন সেজে আসে কাছে,
কষ্ট দিয়ে যায় সে পাছে।

“মুখোশ পরে মানুষ সেজে,
বিশ্বাস ভাঙে নিঃশব্দে যে।

“হাসির আড়াল কান্না লুকায়,
মুখোশধারী তাই ধরা না যায়।

“মুখে নীতি, কাজে ছল,
এই মুখোশেই ভরে দল।

“সত্য ঢাকা, মিথ্যা খোলা,
মুখোশধারীর এটাই খেলা।

“আপন বলে করে পর,
মুখোশধারীর এই তো জ্বর।

“মুখোশ খুললে চেনা যায়,
ততদিনে মন ভেঙে যায়।

“মুখে প্রেম, মনে হিসাব,
মুখোশধারীর এই তো স্বভাব।

“কথা বলে মিষ্টি সুরে,
কাজে কাঁটা বিঁধে দূরে।

“মুখোশে ঢাকা নীলচে মন,
ভাঙে বিশ্বাস ক্ষণিক ক্ষণ।

“মুখোশ পরে সত্য ঢাকে,
নিজেই নিজের কাছে ফাঁকে।

“কাছে এসে দূরে টানে,
মুখোশধারী তাই না মানে।

“মুখে শান্তি, মনে যুদ্ধ,
মুখোশধারীর জীবন দুর্ধর্ষ।

“মুখোশের নিচে লুকায় ছল,
ভাঙে নীরবে বিশ্বাস-দল।

“মানুষ সেজে নেয় যে ঢং,
মুখোশধারী ভাঙে রং।

মুখোশধারী মানুষ নিয়ে কবিতা

“এই শহরে মানুষ নয়, মুখোশ হাঁটে,
হাসির আড়ালে কান্নারা কাঁপে।
চেনা মুখে অচেনা মন,
সত্য খোঁজে ক্লান্ত জীবন।

“ভালোবাসা এখানে সংলাপ মাত্র,
বিশ্বাস মানে ক্ষণিক নাট্যপাত্র।
মুখোশ খুললেই নেমে আসে অন্ধকার,
মানুষ নয় স্বার্থের সংসার।

“তুমি বলেছিলে, পাশে থাকবে,
মুখোশ পরে কেবল হাসতে জানতে।
নীরবতাতেই বুঝে নিয়েছি আজ,
সব হাসিই ভালোবাসা নয়, রাজ।

“আয়নায় তাকিয়ে মানুষ দেখে নিজে,
কিন্তু মুখোশ ঢাকে অন্তরের ভিজে।
নিজেকে লুকিয়ে যে সুখ খোঁজে,
সে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি ভোঁজে।

“বিশ্বাস দিলাম দু’হাতে,
তুমি নিলে মুখোশ গাঁথাতে।
আজ বিশ্বাস ঘুমায় নীরব কবরেই,
মুখোশধারীর ভালোবাসা মিথ্যাই।

লেখকের শেষকথা

মুখোশধারী মানুষ আমাদের জীবনের এক কঠিন বাস্তবতা। তারা আমাদের কষ্ট দেয়, বিশ্বাস ভাঙে, কিন্তু সেই কষ্টের মধ্য দিয়েই আমরা মানুষ চিনতে শিখি।

এই লেখাগুলোর উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করা নয়, বরং নিজেকে সচেতন করা। কারণ সচেতন মানুষই পারে মুখোশের আড়ালে থাকা সত্য চিনতে এবং নিজের বিশ্বাস, চরিত্র ও আত্মসম্মানকে রক্ষা করতে। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে, প্রকাশ্য ও গোপনে একরকম হওয়াই প্রকৃত ঈমানের পরিচয়।

আসুন, আমরা যেন নিজেরাই কখনো মুখোশধারী না হয়ে যাই। কথায়, কাজে ও চিন্তায় সত্যকে আঁকড়ে ধরি। কারণ একদিন সব মুখোশ খুলে যাবে, কিন্তু চরিত্রই থাকবে মানুষের আসল পরিচয় হিসেবে।

Leave a Comment