১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে স্ট্যাটাস, বাছাইকৃত উক্তি, ছন্দ ও কবিতা

১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে স্ট্যাটাস: অবিশ্বস্ত মেয়েদের রূপ বদলানো আর গিরগিটির রঙ বদলানো যেন একই সূত্রে গাঁথা। এমন মানুষের পাল্লায় পড়ে যারা নিঃস্ব হয়েছেন, তারাই জানেন বিশ্বাসের অমর্যাদা কতটা যন্ত্রণাদায়ক। আবার ক্যালেন্ডারের পাতায় যখন নতুন বছর উঁকি দেয়, তখন সেই বিষাক্ত স্মৃতিগুলো আরও বেশি পীড়া দেয়।

আজকের এই ব্লগে আমরা তুলে ধরেছি ১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে স্ট্যাটাস, বাছাইকৃত উক্তি, ছন্দ ও কবিতা। আজকের এই লেখাটি মূলত সম্পর্কের সেই সব মেয়েদের চিনে নেওয়ার জন্য, যারা আপনার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কেবল নিজের স্বার্থসিদ্ধি করেছে।

১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে স্ট্যাটাস

“চেহারা দেখে মানুষ চেনা যায় না, কারণ আজকের দিনে সবচেয়ে সুন্দর চেহারার আড়ালেই থাকে সবচেয়ে বিষাক্ত মন।

“যার মনে হাজারো মানুষের আনাগোনা, তার কাছে ভালোবাসা কেবলই একটা সস্তা অভিনয়।

📌আরো পড়ুন👉 বেইমান নারী নিয়ে হৃদয়বিদারক উক্তি

“গিরগিটি রঙ বদলায় বাঁচার জন্য, আর কিছু মানুষ রূপ বদলায় নতুন কাউকে ঠকানোর জন্য।

“বিশ্বাস করতে শেখাটা আমার ভুল ছিল না, ভুল ছিল এমন কাউকে বিশ্বাস করা যার কাছে সম্পর্কের কোনো মূল্য নেই।

“ভালোবাসা পবিত্র, কিন্তু যখন তা অপাত্রে পড়ে, তখন তা কেবল কলঙ্কের নামান্তর হয়ে দাঁড়ায়।

“যার কাছে সম্পর্কের চেয়ে মোহ বড়, তার কাছে কখনোই বিশ্বস্ততা আশা করা যায় না।

“তোমার কাছে ভালোবাসাটা ছিল একটা খেলা, আর আমার কাছে ছিল জীবনের সেরা ভুল।

“অভিনয় যারা করে তারা নিখুঁতভাবেই করে, তাইতো সাধারণ মানুষ বারবার প্রতারিত হয়।

“হাজারো ঘাটে যার তৃষ্ণা মেটে, সে কোনোদিন এক নদীতে শান্ত থাকতে পারে না।

“তুমি ভাবছো তুমি জিতে গেছো? আসলে তুমি কেবল একজনের বিশ্বাস হারিয়ে বহু জনের অবহেলার পাত্র হয়েছো।

“হুরূপী মানুষের ভিড়ে আসল চেহারা চেনা বড় কঠিন, আজ যে আপনার কাল সে অন্য কারো।

“স্বার্থপর মানুষের কাছে সম্পর্ক হলো অনেকটা টিস্যু পেপারের মতো—প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলেই ডাস্টবিনে।

“বিশ্বাস অনেকটা আয়নার মতো, একবার ভেঙে গেলে সেখানে শতবার তালি দিলেও আসল চেহারা দেখা যায় না।

“তোমার মতো মানুষের কাছে ভালোবাসা মানে হলো নতুন নতুন শিকারে মেতে ওঠা।

“চরিত্র মানুষের আসল সম্পদ, আর যে সেটা বিকিয়ে দেয় তার কাছে দামী কোনো সম্পর্ক আশা করা বোকামি।

“ভালোবাসা মানে একজনের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা, সবার জন্য নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া নয়।

“নর্দমার জলে যেমন তৃষ্ণা মেটে না, তেমনি অস্থির চরিত্রের মানুষের কাছে মনের শান্তি পাওয়া যায় না।

“অভিনয় করে কতদূর যাবে? দিনশেষে আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের আসল চেহারাটা দেখে কি ঘৃণা হয় না?

“তুমি যাকে আধুনিকতা ভাবছো, সমাজ তাকে সস্তা এবং চরিত্রহীনতা বলে জানে।

“তাসের ঘরের মতো তোমার সম্পর্কগুলোও ভেঙে পড়বে, যখন মিথ্যার দেয়ালগুলো ধসে যাবে।

“আমি তাকে হীরা ভেবে আগলে রেখেছিলাম, অথচ সে ছিল সবার হাতে হাত মিলিয়ে চলা সাধারণ এক পাথর।

“কারো সরলতাকে যারা দুর্বলতা ভাবে, তাদের মতো বড় অবিশ্বস্ত আর কেউ হতে পারে না।

“তুমি হয়তো অনেকের হতে পেরেছ, কিন্তু দিনশেষে তুমি কারোরই আপন হতে পারবে না।

“যে মানুষটি আজ তোমার সাথে আছে, কাল সে অন্য কারো গল্পে একই অভিনয় করবে।

“অবিশ্বস্ত মানুষের চোখের জলও বিষাক্ত, কারণ তাতে থাকে কেবল মিথ্যার প্রলেপ।

“মানুষের রূপ বদলাতে সময় লাগে না, সময় লাগে শুধু ধোঁকা খাওয়া মনের ক্ষত শুকাতে।

“সস্তা মানুষের কাছে দামী ভালোবাসা প্রত্যাশা করাটাই ছিল আমার জীবনের বড় বোকামি।

“যারা এক ফুলে স্থির হতে পারে না, তারা বাগানের মালি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না।

“তুমি যাকে জয় ভাবছো, আসলে সেটা তোমার চরিত্রের চূড়ান্ত পরাজয়।

“বিশ্বাসঘাতকতা এমন এক ক্ষত যা কোনোদিন দৃশ্যমান হয় না, কিন্তু রক্তক্ষরণ চলতেই থাকে।

“রূপের মোহে অন্ধ হয়ে কাউকে বিশ্বাস করবেন না, কারণ ফুল সুন্দর হলেও তাতে কাঁটা থাকতে পারে।

“নিজের সম্মান আগে রাখুন, অবিশ্বস্ত মানুষের মায়ায় পড়ে নিজের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দেবেন না।

“মানুষ চেনা বড় কঠিন শিল্প, এই শিল্প শিখতে গেলে অন্তত একবার বড় ধরণের ধোঁকা খেতে হয়।

“যে একবার প্রতারণা করতে পারে, সে বারবার করতে পারে—সুযোগ দেওয়া মানে নিজেকে আবার বিপদে ফেলা।

“একা থাকা অনেক ভালো, অন্তত অবিশ্বস্ত কারো পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে ছোট মনে হয় না।

“তুমি হয়তো সাময়িক সুখ পাচ্ছো, কিন্তু মনে রেখো পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে মুক্তি পাওয়া কঠিন।

“কারো বিশ্বাসের অমর্যাদা করা মানে নিজের ধ্বংসের পথ নিজেই তৈরি করা।

“ভালোবাসার নামে যারা নোংরামি করে, তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

“সময় বদলে যায়, মানুষও বদলে যায়; কিন্তু কারো করা বিশ্বাসঘাতকতা কোনোদিন ভোলা যায় না।

“চরিত্র মানুষের এমন এক পোশাক যা একবার ময়লা হলে কোনো সাবান দিয়েই পরিষ্কার করা যায় না।

বারোভাতারি মেয়েদের নিয়ে ক্যাপশন

বারোভাতারি মেয়েদের নিয়ে ক্যাপশন

“যে সবার হতে চায়, সে আসলে কারোরই হতে পারে না।

“বহুরূপী মানুষের ভিড়ে আসল চেহারা চেনা বড় কঠিন; আজ যে আপনার, কাল সে অন্য কারো।

📌আরো পড়ুন👉বহুরূপী নারী নিয়ে কষ্টের ক্যাপশন

“যার মনে হাজারো মানুষের আনাগোনা, তার কাছে ভালোবাসা কেবলই একটা সস্তা অভিনয়।

“বিশ্বাসটা ছিল পাহাড় সমান, কিন্তু তোমার চরিত্রটা ছিল বালির বাঁধের মতো ভঙ্গুর।

“ভালোবাসা পবিত্র, কিন্তু যখন তা অপাত্রে পড়ে, তখন তা কেবল কলঙ্কের নামান্তর হয়ে দাঁড়ায়।

“অভিনয় যারা করে তারা নিখুঁতভাবেই করে, তাই তো সাধারণ মানুষ বারবার প্রতারিত হয়।

“হাজারো ঘাটে যার তৃষ্ণা মেটে, সে কোনোদিন এক নদীতে শান্ত থাকতে পারে না।

“চরিত্র মানুষের আসল সম্পদ, আর যে সেটা বিকিয়ে দেয় তার কাছে দামী কোনো সম্পর্ক আশা করা বোকামি।

“তুমি ভাবছো তুমি জিতে গেছো? আসলে তুমি কেবল একজনের বিশ্বাস হারিয়ে বহু জনের অবহেলার পাত্র হয়েছো।

“সস্তা মানুষের কাছে দামী ভালোবাসা প্রত্যাশা করাটাই ছিল আমার জীবনের বড় বোকামি।

“তোমার কাছে ভালোবাসাটা ছিল একটা মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা, মিউজিক থামলেই নতুন সঙ্গী!

“রূপের মোহে অন্ধ হয়ে কাউকে বিশ্বাস করবেন না, কারণ নর্দমার জলও মাঝে মাঝে আয়নার মতো চকচক করে।

“আধুনিকতার নামে যারা সস্তামি করে, তাদের কাছে বিশ্বস্ততা আশা করা আর মরুভূমিতে জল খোঁজা একই কথা।

“তুমি যাকে ‘স্মার্টনেস’ ভাবছো, পৃথিবী তাকে ‘চরিত্রহীনতা’ বলে চেনে।

“অভিনয় করে কতদূর যাবে? দিনশেষে আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের আসল চেহারাটা দেখে কি ঘৃণা হয় না?

“তুমি যাকে জয় ভাবছো, আসলে সেটা তোমার ব্যক্তিত্বের চূড়ান্ত পরাজয়।

“যারা এক ফুলে স্থির হতে পারে না, তারা বাগানের মালি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না।

“তোমার মনের প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের মতো মানুষ আসে আর যায়, সেখানে স্থায়িত্ব বলে কিছু নেই।

“সস্তা দরের মানুষেরা সবসময় দামী মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করতে পছন্দ করে।

“আমি তাকে হীরা ভেবে আগলে রেখেছিলাম, অথচ সে ছিল সবার হাতে হাত মিলিয়ে চলা সাধারণ এক পাথর।

“বিশ্বাসঘাতকতা এমন এক ক্ষত যা কোনোদিন দৃশ্যমান হয় না, কিন্তু রক্তক্ষরণ চলতেই থাকে।

“বিশ্বাস অনেকটা আয়নার মতো, একবার ভেঙে গেলে সেখানে শতবার তালি দিলেও ফাটলটা থেকেই যায়।

“মানুষের রূপ বদলাতে সময় লাগে না, সময় লাগে শুধু ধোঁকা খাওয়া মনের ক্ষত শুকাতে।

“অবিশ্বস্ত মানুষের চোখের জলও বিষাক্ত, কারণ তাতে থাকে কেবল মিথ্যার প্রলেপ।

“যাকে সব দুঃখের কথা বলতাম, আজ সেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“খুব কাছের মানুষগুলো যখন অচেনা হয়ে যায়, তখন একাকীত্বই হয়ে ওঠে পরম শান্তির জায়গা।

“একা থাকা অনেক ভালো, অন্তত অবিশ্বস্ত কারো পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে ছোট মনে হয় না।

“তুমি হয়তো সাময়িক সুখ পাচ্ছো, কিন্তু মনে রেখো পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে মুক্তি পাওয়া কঠিন।

“তাসের ঘরের মতো তোমার সম্পর্কগুলোও ভেঙে পড়বে, যখন মিথ্যার দেয়ালগুলো ধসে যাবে।

“নতুন বছরে ক্যালেন্ডার বদলাবে, আর আমি আমার জীবন থেকে তোমার মতো বিষাক্ত মানুষকে বদলাবো।

“পুরোনো বছরের সব ধোঁকা আর অবিশ্বস্ত স্মৃতিগুলোকে ডাস্টবিনে ফেলে নতুন করে বাঁচতে চাই।

“ধন্যবাদ তোমাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটা দেওয়ার জন্য; এখন আমি চিনি কোনটা মানুষ আর কোনটা মুখোশ।

“নতুন বছরে আমার একটাই অঙ্গীকার—আর কোনো অবিশ্বস্ত মানুষের জন্য নিজের চোখের জল ফেলবো না।

“জঞ্জাল পরিষ্কার না করলে যেমন ঘরে থাকা যায় না, তেমনি অবিশ্বস্ত মানুষ না সরালে জীবনে সুখ আসে না।

“তুমি ছিলে আমার জীবনের একটি ভুল অধ্যায়, নতুন বছরে আমি নতুন বই লিখতে শুরু করবো।

“অবিশ্বস্ত মানুষের মায়ায় পড়ে নিজের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দেওয়ার দিন শেষ।

“যারা সম্পর্কের মর্যাদা বোঝে না, তাদের জন্য আমার জীবনের কোনো পাতায় আর জায়গা নেই।

“সময় বদলে যায়, মানুষও বদলে যায়; কিন্তু তোমার মতো মানুষের আসল রূপটা চিনে রাখা জরুরি ছিল।

“আলহামদুলিল্লাহ! অবিশ্বস্ত মানুষদের হাত থেকে বেঁচে নতুন একটি বছরে পা রাখতে পেরেছি।

বারোভাতারি মেয়েদের নিয়ে উক্তি

বারোভাতারি মেয়েদের নিয়ে উক্তি

“চরিত্র হলো এমন একটি পোশাক, যা একবার কলঙ্কিত হলে কোনো দামী সুগন্ধি দিয়েই তার দুর্গন্ধ ঢাকা যায় না।”

“যে নারী একজনের ভালোবাসায় তৃপ্ত নয়, সে সহস্র পুরুষের ভিড়েও নিজের একাকীত্ব ঘোচাতে পারে না।”

📌আরো পড়ুন👉 খারাপ মেয়েদের নিয়ে ইসলামিক উক্তি

“বিশ্বাসঘাতকতা কোনো ভুল নয়, এটি একটি সচেতন পছন্দ এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।”

“যার মনের দরজায় কোনো পাহারাদার নেই, সেখানে রাস্তার যে কেউ এসে ভিড় জমাতে পারে।”

“অবিশ্বস্ত মানুষের কাছে ভালোবাসা মানে হলো নতুন নতুন শিকারে মেতে ওঠা।”

“সস্তা মানুষের কাছে দামী আবেগ প্রদর্শন করা মানে নিজের ব্যক্তিত্বকে অপমান করা।”

“যে সবার হতে চায়, দিনশেষে সে আসলে কারোরই হয়ে উঠতে পারে না।”

“বহুগামিতা আধুনিকতা নয়, এটি মনের দারিদ্র্য এবং চরিত্রের চরম অবক্ষয়।”

“আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়, কিন্তু মনের ভেতরের কদর্য রূপ দেখার কোনো যন্ত্র নেই।”

“যাকে হীরা ভেবে আগলে রাখবেন, সময়ের ব্যবধানে দেখবেন সে আসলে সস্তা কাঁচের টুকরো ছাড়া আর কিছু ছিল না।”

“বিশ্বস্ততা একটি দামী উপহার, যা সস্তা মানুষের কাছ থেকে আশা করা বোকামি।”

“একজনের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করার চেয়ে বিষ পান করা অনেক বেশি সম্মানের।”

“যারা সম্পর্কের গুরুত্ব বোঝে না, তাদের কাছে বিশ্বস্ততা মানে কেবলই একঘেয়েমি।”

“সবচেয়ে সুন্দর চেহারার আড়ালে অনেক সময় সবচেয়ে বিষাক্ত মন লুকিয়ে থাকে।”

“যে নারী একবার আপনার বিশ্বাস ভেঙেছে, সে সুযোগ পেলে হাজারবার আপনার সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেবে।”

“অভিনয় যারা করে তারা নিখুঁতভাবেই করে, কিন্তু সত্যের আলোয় মুখোশ একদিন খসে পড়বেই।”

“ভালোবাসা যখন সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন তা পবিত্রতা হারিয়ে লালসায় রূপ নেয়।”

“বিশ্বাস অনেকটা কাগজের মতো, একবার দুমড়ে মুচড়ে গেলে তা আর আগের মতো মসৃণ হয় না।”

“তুমি যাকে জয় ভাবছো, আসলে তা তোমার চরিত্রের চূড়ান্ত পরাজয়।”

“নর্দমার জলে তৃষ্ণা মেটে না, তেমনি অবিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে ঘর বেঁধে শান্তি পাওয়া যায় না।”

“মানুষ চেনা বড় কঠিন শিল্প; বিশেষ করে যখন তারা ভালোবাসার মুখোশ পরে সামনে আসে।”

“যার কাছে সম্পর্কের চেয়ে মোহ বড়, তার তকদীরে কোনোদিন প্রকৃত সুখ জোটে না।”

“অবিশ্বস্ত নারী হলো সেই মরীচিকার মতো, যা দূর থেকে জল মনে হলেও কাছে গেলে কেবল বালিই পাওয়া যায়।”

“চরিত্রহীন মানুষের ভালোবাসা হলো বর্ষাকালের কাদা, যা কেবল আপনার গায়ে দাগই লাগাতে পারে।”

“যারা এক ফুলে স্থির হতে পারে না, তারা বাগানের মালি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না।”

“মানুষের রূপ বদলাতে সময় লাগে না, সময় লাগে শুধু সেই বদলটা মেনে নিতে।”

“যে আজ আপনার কাছে এসে অন্যের নিন্দা করে, কাল সে অন্যের কাছে গিয়ে আপনার সর্বনাশ করবে।”

“প্রতারণা যারা করে তারা সাময়িক জয়ী হতে পারে, কিন্তু তারা কখনোই কারোর মনের মণিকোঠায় জায়গা পায় না।”

“অবিশ্বস্ত মানুষের চোখের জলও বিষাক্ত, কারণ তাতে অনুশোচনার চেয়ে মিথ্যার প্রলেপ বেশি থাকে।”

“নিজের সম্মান আগে রাখুন; অবিশ্বস্ত মানুষের মায়ায় পড়ে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না।”

“যে একবার আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া মানে নিজেকে আবার বিষ পান করানো।”

“একা থাকা অনেক ভালো, অন্তত অবিশ্বস্ত কারো পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে ছোট মনে হয় না।”

“সময় সবকিছু ফিরিয়ে দেয়; আজ আপনি যাকে ঠকাচ্ছেন, কাল অন্য কেউ আপনাকে একইভাবে কাঁদাবে।”

“অন্ধকারের চেয়েও ভয়ঙ্কর হলো সেই মানুষ, যে দিনের আলোতে মুখোশ পরে ঘোরে।”

“যাদের অভ্যাস হলো নিত্য নতুন সঙ্গী বদলানো, তাদের জীবনে কোনোদিন দীর্ঘস্থায়ী বসন্ত আসে না।”

“ভালোবাসার নামে যারা নোংরামি করে, তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।”

“তাসের ঘরের মতো অবিশ্বস্ত মানুষের সম্পর্কগুলোও একদিন ধসে পড়ে।”

“বিশ্বাসঘাতকতা এমন এক ক্ষত যা দৃশ্যমান হয় না, কিন্তু রক্তক্ষরণ সারা জীবন চলতেই থাকে।”

“চরিত্র মানুষের ভূষণ, আর যে তা হারায় তার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।”

১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে ছন্দ

“উপরে ফিটফাট ভেতরে সদর ঘাট,
তোমার মতো মেয়ের জানা আছে সব নাট।”

“হাজারো নৌকায় যার চলে দুই পা,
তার কাছে ভালোবাসার কোনো দাম নাই গা।”

“মুখে মধুর হাসি মনে বিষের ছুরি,
অভিনয় করে তুমি করো হদয় চুরি।”

“সস্তা তোমার মন সস্তা তোমার নেশা,
মানুষ ঠকানোই হলো তোমার আসল পেশা।”

“রূপ আছে তোমার কিন্তু চরিত্র যে নাই,
তোমার মতো অবিশ্বস্তকে ধিক্কার দিয়ে যাই।”

“নতুন নতুন ঘাটে তোমার নতুন নতুন তরী,
বিশ্বস্ততার নামে তুমি এক মস্ত বড় জালি।”

“তাসের ঘরের মতো তোমার মিথ্যা ভালোবাসা,
নতুন নতুন শিকারে তোমার অফুরন্ত আশা।”

“একজনের বুকে থেকে অন্যজনের স্বপ্ন দেখো,
চরিত্রের এই নোংরা রঙ নিজের কাছেই রাখো।”

“বিশ্বাস ছিল পাহাড় সমান ভাঙলে বালির মতো,
তোর মতো বহুরূপী দিতে পারে কেবল মনের ক্ষত।”

“হাজারো ফুলের ঘ্রাণ নিয়ে যার অভ্যাস গড়ে ওঠে,
তার কপালে একনিষ্ঠ সুখ কোনোদিনও না জোটে।”

“আধুনিকতার নামে যারা সস্তামি যে করো,
দিনশেষে তোমরা নিজের বিবেকের কাছেই হারো।”

“রূপের ডালি সাজিয়ে শুধু মানুষের মন ভোলানো,
তোমার কাজ তো কেবল নতুন নতুন জাল বোনা।”

“যাকে তুমি জয় ভাবছো আসলে সেটা হার,
তোমার মতো মানুষের নেই কোনো সম্মান আর।”

“বিশ্বাস নিয়ে খেলতে তোমার লাগে বড় বেশ,
অভিশাপ দিলাম তোর সুখ হবে একদিন শেষ।”

“মৌমাছির মতো তুমি কেবলই ফুলে ফুলে ওড়ো,
নিজের সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে কিসের বড়াই করো?”

“আয়নায় মুখ দেখলে কি ঘৃণায় বুক ফাটে না?
অবিশ্বস্ততার এই নাটক তোমার কেন কাটে না?”

“মিথ্যে মায়ায় ডুবিয়ে মারো কত সরল প্রাণ,
চরিত্রহীনতার নোংরা নেশায় তুমিই ভগবান!”

“আজ যে তোমার আপন কাল সে অন্য কারো,
অস্থির এই মনের রোগে আর কতকাল লড়ো?”

“সম্পর্কের শেষ পাতায় কেবল তুমিই একা রবে,
অবিশ্বস্ততার কঠিন মূল্য একদিন ঠিকই দেবে।”

১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে কবিতা

“উপরে তোমার হাসির ছটা, ভেতরে বিষের কণা,
এক হৃদয়ে আর কতকাল করবে নতুন হানা?
একজনে কি মেটে না আশ, লাগে হাজারো মন?
অভিনয়টাই সার হলো তোর, হারালি আপন জন।
গিরগিটিও লজ্জা পাবে দেখে তোমার রূপ,
অবিশ্বস্ততার সাগরে তুমি এক বিষাক্ত অন্ধকার কূপ।”

“নতুন নতুন নদীর বাঁকে ভিড়াও তোমার তরী,
বিশ্বাসেরই নাম দিয়ে সব করো জালিয়াতি।
আজকে যার বুকে মাথা, কাল সে অচেনা হয়,
তোমার মতো বহুরূপীর কিসে লাগে আর ভয়?
সস্তা শখ আর সস্তা মনে করছো তুমি জয়,
আসলে তো ব্যক্তিত্বের হচ্ছে যে পরাজয়।”

“তাসের ঘরে ভালোবাসা, তাসের ঘরে ঘর,
আজকে যাকে আপন ভাবো, কালই সে তো পর।
হাজারো ফুলে মধু খেয়ে স্বভাব তোমার নষ্ট,
সরল মনে শুধু দিলে এক পৃথিবী কষ্ট।
চরিত্রের যে অলঙ্কার তুমি ফেলেছ ধুলোয় মেখে,
কী লাভ হবে দিনের শেষে নিজের মুখ দেখে?”

“এক নদীর জল খেয়ে কি মেটে না তোমার তৃষ্ণা?
সবার মাঝে বিলিয়ে দিলে কেবলই মনে ঘৃণা।
আধুনিকতার দোহাই দিয়ে সস্তামি যে করো,
একনিষ্ঠ প্রেমে তুমি বড় বেশি ডরো।
আজকের এই নতুন সাথী কাল তো হবে অতীত,
অবিশ্বস্ততার এই খেলা তোমার জন্য রীতি।”

“জীবন তোমার অভিনয়ের এক মস্ত বড় মঞ্চ,
বিশ্বাস নিয়ে খেলা করা তোমার চিরন্তন ফন্দি।
একজনের কাছে তুমি শান্ত সুবোধ সতী,
অন্যজনের কাছে আবার কামনারই বাতি।
এভাবে আর কত জীবন করবে তুমি শেষ?
মুখোশ পরে থাকতে তোমার লাগে বড় বেশ।”

“আয়নাতে আজ নিজের ছবি দেখছো যখন তুমি,
ঘৃণা কি জাগে না মনে, ওগো মরীচিকা ভূমি?
যার বিশ্বাসের অমর্যাদা করলে তুমি হাসিমুখে,
সেই আগুনের শিখা একদিন জ্বলবে তোমার বুকে।
চরিত্রহীন বসন্তে যখন ঝরবে সব পাতা,
তখন বুঝবে কূল হারিয়ে কারে দিচ্ছ মাথা।”

১২ ভাতারি মেয়েদের নিয়ে কিছু কথা

সম্পর্কের পবিত্রতা নষ্ট করে যারা বহুগামিতাকে আধুনিকতা মনে করে, তারা কোনোদিন কারো মনের মণিকোঠায় প্রকৃত জায়গা পায় না। একনিষ্ঠতা ও সতীত্ব কেবল ধর্মীয় বিষয় নয়, এটি একজন মেয়ের আত্মসম্মানের পরিচায়ক। যে হাত সবার জন্য উন্মুক্ত, সেই হাতের স্পর্শে কোনো গভীরতা থাকে না।

দিনশেষে এমন মেয়েরা ভিড়ের মাঝে থাকলেও চরম একাকীত্বে ভোগে, কারণ তারা কারো কাছেই বিশ্বস্ত হতে পারে না। চরিত্রের এই বিচ্যুতি কেবল একটি জীবন নয়, বরং একটি পরিবার এবং সুস্থ সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। তাই সম্পর্কের মূল্য বুঝতে শেখা এবং নৈতিকতায় স্থির থাকাই একজন মানুষের প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব।

লেখকের শেষকথা

পরিশেষে বলা যায়, সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস আর একনিষ্ঠতা। যখন কোনো মানুষ সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা করে এবং বহুগামিতাকে নিজের স্বভাব বানিয়ে ফেলে, তখন সে কেবল সমাজেই ছোট হয় না, বরং নিজের ব্যক্তিত্বকেও ধ্বংস করে দেয়।

আমাদের আজকের এই পোষ্টটি মূলত সম্পর্কের সেই কালো দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য, যা আমাদের অনেককেই তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন করেছে।

Leave a Comment